পোস্টাল ভোট, দেশের রাজনীতি: এক ভোটারের ভাবনার গল্প

জাগো নিউজ ২৪ ফারুক যোশী প্রকাশিত: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:২১

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের একটি উপ-নির্বাচন ঘিরে এখন ম্যানচেস্টারের একটি সংসদীয় এলাকা জুড়ে প্রচার-প্রচারণা চলছে। লিফলেট নিয়ে স্বেচ্ছাসেবকদের ছোট ছোট দলের ঘরে ঘরে নকিং ক্যাম্পেইনও চোখে পড়ে । এসময়ে আমার মোবাইলের একটি ফোনকল প্রতরণামূলক হতে পারে এ নিয়ে দ্বিধা থাকলেও স্থানীয় কোড নম্বর দেখে শেষ পর্যন্ত ধরেই ফেললাম।


ওপ্রান্ত থেকে অত্যন্ত ভদ্র, পরিমিত স্বরে জানানো হলো—মাত্র দুই মিনিট সময় লাগবে, স্থানীয় উপ-নির্বাচন নিয়ে একটি জরিপ, কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর চাই। যেহেতু আমি এই এলাকার নিবন্ধিত ভোটার, তাই সম্মতি দিলাম। প্রশ্ন শুরু হলো সরাসরি—


“গত নির্বাচনে আপনি কোন দলকে ভোট দিয়েছিলেন?” আমি উত্তর দিলাম।


“এবার কি অন্য কোনো দলকে বিবেচনায় নিচ্ছেন?” বললাম—না।


“কিন্তু আপনার এলাকার এমপি তো কেলেঙ্কারির দায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন—তবুও না?” উত্তর একই—না।


“আপনার সেকেন্ড চয়েস কোন দল?” বললাম—গ্রিন পার্টি।


পরের প্রশ্নটি ছিল বেশ গভীর—“আপনি তো বলছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ভালো করছেন না, তাহলে গ্রিন পার্টি কেন আপনার প্রথম পছন্দ নয়?”--'রিফোর্ম যেন না আসতে পারে' । এরপর আরও কিছু সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রশ্ন, ডেটা সংগ্রহের উপযোগী কয়েকটি তথ্য, সব মিলিয়ে তিন মিনিটের মধ্যেই জরিপ শেষ। ফোন রেখে দেওয়ার পর যে অনুভূতিটা হলো, তা শুধু যুক্তরাজ্যের রাজনীতি নিয়ে নয়—আমাকে যেন টেনে নিয়ে গেল বহু দূরে, আমার শৈশব-কৈশোর-যৌবনের দেশ, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায়।


বাস্তব রাজনীতি কেবল আদর্শের নয়, কৌশলেরও। আমি জানি গ্রিন পার্টি এই আসনে জিতবে না। আর যদি আমি তাদের ভোট দিই, তাহলে সেই ভোট কার্যত ডানপন্থি ‘রিফর্ম’ পার্টির পক্ষে গিয়ে পড়তে পারে। অর্থাৎ আমার একটি আদর্শিক ভোট বাস্তবে পরিণত হতে পারে আমার একেবারেই অপছন্দের শক্তির লাভে। তাই বাস্তবতার বিচারে আমি সেই ঝুঁকি নিতে চাই না।


২.


সত্যি বলতে কী, শুরুতে ইচ্ছে ছিল না ভোট প্রয়োগ করার। আমার পছন্দের কোনো প্রার্থী নেই, কোনো দলই আমার কাছে আদর্শিকভাবে গ্রহণযোগ্য মনে হচ্ছিল না। তবু কেন জানি মনে হলো—ভোট দেওয়া প্রয়োজন। আমি যেমন জুলাই আন্দোলনের সুফল পাওয়ার স্বপ্ন দেখা মানুষদের একজন, তেমনি বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়েও আমার অসংখ্য প্রশ্ন আছে। অনিশ্চয়তা আছে, সন্দেহ আছে, দ্বিধা আছে।


সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও