জাগতিক কৃচ্ছ্রসাধন সময়ের দাবি
বিশ্বব্যাপী ব্যাপক উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার জন্ম দিয়েছে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধ। ইরাক যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এটাই সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান। ৮ মাস আগে ইরান-ইসরাইল ১২ দিনের যুদ্ধের পর ইরান আবারও ইসরাইল ও মার্কিন বাহিনীর যৌথ আক্রমণের শিকার হলো। আগেরবার ইরান ও ইসরাইল সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে সমর্থন ও সামরিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে প্রক্সিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল।
ইরান আক্রমণের শিকার হয়ে পালটা ব্যবস্থা হিসাবে সরাসরি ইসরাইলের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষতি করে। ইসরাইল সেসময় ভাবতেই পারেনি সে বাইরের কোনো রাষ্ট্র কর্তৃক সরাসরি আক্রমণের শিকার হতে পারে। একজন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে বলেছেন, একটি যৌথ সামরিক অভিযানের অংশ হিসাবে ইরানে আক্রমণ চালানো হয়েছে। তাদের কিছু নির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে, যা অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চলতে থাকবে।
তাদের লক্ষ্যগুলো কী তা স্পষ্ট করে বলা হয়নি। সাধারণভাবে মনে করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য হলো ইসরাইলের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে দূরে সরিয়ে রাখা। ইরান সবসময়ই বলে আসছে, তার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচির উদ্দেশ্য শান্তিপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন সময় প্রচণ্ড চাপ প্রয়োগ করা সত্ত্বেও ইরান তার এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন থেকে সরে আসতে সম্মত হয়নি।
- ট্যাগ:
- মতামত
- ভূরাজনীতি
- ভূরাজনৈতিক অবস্থান