স্বাস্থ্য খাতের অর্জন, বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা ও জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে করণীয়

বণিক বার্তা নিজাম উদ্দিন আহমেদ প্রকাশিত: ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:১৪

স্বাধীনতার ৫৫ বছরে বাংলাদেশ যে অগ্রগতি অর্জন করেছে, তার অন্যতম উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্বাস্থ্য খাত। ১৯৭১ সালে চরম দারিদ্র্য, খাদ্য সংকট, ভঙ্গুর অবকাঠামো এবং বিশ্বের সর্বোচ্চ মৃত্যুহারের দেশ থেকে বাংলাদেশ আজ সম্পদ-সীমাবদ্ধ বাস্তবতায় স্বাস্থ্য উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি বৈশ্বিক মডেলে পরিণত হয়েছে।


স্বাধীনতার ৫৫ বছরে বাংলাদেশ যে অগ্রগতি অর্জন করেছে, তার অন্যতম উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্বাস্থ্য খাত। ১৯৭১ সালে চরম দারিদ্র্য, খাদ্য সংকট, ভঙ্গুর অবকাঠামো এবং বিশ্বের সর্বোচ্চ মৃত্যুহারের দেশ থেকে বাংলাদেশ আজ সম্পদ-সীমাবদ্ধ বাস্তবতায় স্বাস্থ্য উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি বৈশ্বিক মডেলে পরিণত হয়েছে। গত পাঁচ দশকে দেশের গড় আয়ু উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, মাতৃ ও শিশুমৃত্যু বিস্ময়করভাবে কমেছে। প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগগুলো টিকাদান ও কমিউনিটিভিত্তিক কার্যক্রমের মাধ্যমে অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এসব অর্জন শুধু জীবন রক্ষা নয়, এর পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়ন, সামাজিক সমতা জোরদার এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ভিত্তিমূলকেও শক্তিশালী করেছে।


স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ ভঙ্গুর; দারিদ্র্য, অপুষ্টি ও সংক্রামক রোগে বিপর্যস্ত একটি জনগোষ্ঠী তখন বেঁচে থাকার লড়াইয়ে লিপ্ত ছিল। গত পাঁচ দশকে রাজনৈতিক অঙ্গীকার, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, উদ্ভাবনী সেবা ব্যবস্থা এবং সরকার, এনজিও, বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতকে আমূল বদলে দিয়েছে। ১৯৭০-এর দশকের শুরুতে যেখানে দেশের গড় আয়ু ছিল প্রায় ৪৮ বছর, সেখানে তা বেড়ে বর্তমানে ৭৪ বছরেরও বেশি হয়েছে (বিবিএস-২০২৩)। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যুহার প্রায় ৮৫ শতাংশ কমে প্রতি হাজারে ২৫০ থেকে ৩১-এ নেমে এসেছে (বিডিএইচএস, ২০২২)। এ ধরনের অর্জনগুলো বিশ্বজনীন স্বাস্থ্য অগ্রগতির একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। একই সময়ে মাতৃমৃত্যু ৭৫-৭৯ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়ে, ২০২২ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রতি এক লাখ জীবিত জন্মে ১৫৬-তে দাঁড়িয়েছে। এ অর্জনের পেছনে রয়েছে গর্ভকালীন সেবার ব্যাপক বিস্তৃতি (৮৮ শতাংশ), দক্ষ প্রসব সহায়তা এবং জরুরি প্রসূতি সেবার উন্নয়ন। পাশাপাশি জন্মহার ৬ দশমিক ৯-এর বেশি থেকে প্রায় ২ দশমিক ১-এ নেমে আসায় নারীর স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক অংশগ্রহণে গভীর ও ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও