থালাপতি বিজয়: ভারতের দক্ষিণে রাজনীতির নতুন ‘কমান্ডার’?

প্রথম আলো আলতাফ পারভেজ প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৫, ১৩:৫২

সিনেমার মতো দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিও উত্তরের চেয়ে অনেক পৃথক ধাঁচের। তারকানির্ভরতা তামিল, তেলেগু, মালয়ালম ছবির চিরচেনা বৈশিষ্ট্য। ঠিক তার মতোই তামিল রাজনীতিরও একটি ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য—সিনেমার তারকারা এখানে একপর্যায়ে রাজনীতিতে নামেন এবং ভোটের রাজনীতিতে প্রতিপক্ষকে মাত করেন। ‘প্রতিপক্ষ’রাও হয়ে থাকেন অনেক সময় সিনেমাজগতের মানুষ। ফলে বহুকাল ধরে তামিলভাষীদের রাজনীতি অনেকটা সিনেমার হিরো-ভিলেন সমীকরণের মতো চলছে। এ রকম এক ঐতিহ্যের মধে৵ই নতুন তারকা হিসেবে নিজেকে তামিল সমাজে ‘ভাইরাল’ করেছেন থালাপতি বিজয়। তাঁর কথাবার্তা মনোযোগ কাড়ছে বাংলাদেশেও।


তবে অনেকে এ-ও বলছেন, বিজয় হলেন বিজেপির স্থানীয় ‘প্রক্সি’। প্রচলিত কৌশলে দক্ষিণের রাজনীতিতে সুবিধা করতে না পেরে বিজেপি কংগ্রেসবিরোধী ধারাকে শক্তি জোগাতে বিজয়কে মাঠে নামিয়ে নিজস্ব মিডিয়া সাম্রাজ্য দিয়ে প্রচার-উত্তেজনা তৈরি করছে।


পেরিয়ারের আদর্শের কথা বলছেন বিজয়


বাস্তবে নাম যোশেফ বিজয় হলেও ভক্তরা তাঁকে যে ‘থালাপতি’ বলেন, সেটি তামিল চলচ্চিত্রে তাঁর পেশাগত সফলতার কারণে। তামিল ভাষায় থালাপতি অর্থ কমান্ডার, বস বা নেতা। বলাবাহুল্য, ভক্তদের দেওয়া ওই নামের জোরেই রাজনীতির পথে হাঁটছেন বিজয়।


বিজয়ের দলের নাম ‘টিভিকে’ বা ‘তামিলাগা ভেট্টরি কাজাগাম’। বাংলায় ‘তামিলনাড়ুর বিজয়ী মোর্চা’। সময়ের হিসাবে এক বছর হলো দলের বয়স। বড়সড় মাত্র দুটি সমাবেশ করেছে তারা। সমাবেশগুলোয় তরুণদের ব্যাপক জমায়েত ঘটছে। সর্বশেষ সমাবেশ থেকে যোশেফ বিজয় আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে জানান। এই এক ঘোষণাতেই দক্ষিণের রাজনীতি সরগরম হয়ে উঠেছে।


অন্যদিকে বিজয়কে নিয়ে তামিল তরুণদের মাতামাতি দেখে ভারতজুড়ে জাতীয়ভাবে নতুন করে কিছু রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশও শুরু হয়েছে। বিজয়ের জনসভার আকার দেখে তামিলনাড়ুর পুরোনো দল ডিএমকে ও এআইএডিএমকের পাশাপাশি রাজনৈতিক হুমকিতে আছে আরেক সিনেমা তারকা সিমানের দল ‘নাম তামিলার কাচ্চি’ বা এনটিকে।


কৌতূককর দিক হলো, সিমান ও বিজয় উভয়ে রামস্বামী পেরিয়ারের আদর্শের কথা বলছেন। পেরিয়ার হলেন দক্ষিণের আম্বেদকর বা বাংলার যোগেন মণ্ডলের মতো, বর্ণবাদবিরোধী সামাজিক গুরু। এই সূত্রে বাংলাদেশে চব্বিশের ছাত্রনেতাদের কারও কারও যোগেন মণ্ডল প্রীতির সঙ্গে সিমান ও বিজয়ের রাজনীতির কিছু সাদৃশ্য মেলে।


তবে বাংলাদেশের ‘চব্বিশ’-পরবর্তী রাজনীতির সঙ্গে থালাপতির চিন্তার ফারাক অনেক। তিনি নারী অধিকার ও প্রাকৃতিক সম্পদের সুরক্ষা, অর্থনৈতিক সমতা ও ধর্মনিরপেক্ষ সমাজনীতির কথা বলছেন। তাঁর বক্তব্য শুনে নিউইয়র্কের মেয়র প্রার্থী মামদানির কথাও মনে পড়ে যায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও