You have reached your daily news limit

Please log in to continue


অনিয়ন্ত্রিত অটো দানব ও পুলিশের শক্ত হাত

কিছুদিন পূর্বে উত্তরের এক উপজেলা সদর থেকে বেশ ভিতরে এক গ্রামের বিনোদন পার্কে গিয়েছিলাম। তবে ঘুরতে নয়। সেখানকার একটি অডিটোরিয়ামে গ্রামের নারীদের নিয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন ছিল। রাজধানীর কিছু বড় বড় প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন অতিথিও এসেছিলেন সেখানে। অডিটোরিয়ামে এসি না থাকায় কেউ কেউ বির বির করছিলেন। সেখানে ফ্যানের স্বল্পতাও বেশ। একসঙ্গে অনেকগুলো মানুষের ভিড়ে হলের পরিবেশ গরম মনে হওয়ায় জানালা খুলে দেওয়া হলো, পর্দা সরিয়ে দেওয়া হলো।

আশপাশে কোনো বাড়িঘর, দোকানপাট নেই। বাইরে তাকালে সবুজ ধানক্ষেতের দিকে দৃষ্টি চলে যায়। একজন বড় বক্তা সুপেয় পানির অভাব নিয়ে কথা বলা শুরু করে দক্ষিণবঙ্গে তার কাজ করার অভিজ্ঞতার কথা শোনাতে লাগলেন। উঠে এলো বঙ্গোপসাগরের নিকটবর্তী জেলাগুলোর মানুষের সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস, বাড়িঘর, চিংড়ি ঘের ভেসে যাওয়া ও খাবার পানির সংকটের কথা। তিনি বলতে লাগলেন, আপনারা উত্তরবঙ্গের মানুষ। মাটিতে টিউবওয়েল পুঁতলে খাবার পানি পাচ্ছেন। এদিকে বন্যাও তেমন হয় না। জমিতে সেচের পানি পান। চারদিকে এত গাছপালা, সবুজ প্রকৃতির মাঝে বসবাস করেন। এখন দক্ষিণ ও পূবের তুলনায় উত্তরবঙ্গের মানুষের অভাব অনেকটা কমে গেছে। উত্তরবঙ্গ আমাদের জন্য শান্তি-সুখের হাতছানি, আপনাদের জন্য নবম বেহেশত!

তবে একজন বললেন, এই নবম বেহেশতের মধ্যে এক দানব বাসা বেঁধেছে। উত্তরবঙ্গের ছোট শহর থেকে শুরু করে উপজেলা সদর—সবখানেই আজ এক নতুন শক্তির দাপট। এই শক্তি সড়কের শাসনভার হাতে নিয়েছে, পুলিশ, প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কারও কথাই শোনে না। নাম তার অটোরিকশা, যাকে অনেকে এখন মজা করে বলছেন ‘অটোদানব’। নবম বেহেশতে থাকা লোকের মতো এই বাহনগুলো চালায় একশ্রেণির চালক। যেন রাস্তাঘাট, মানুষ, নিয়মনীতি সবই শুধু তাদের জন্য বরাদ্দ করা। যেদিক ইচ্ছে, যে গতিতে ইচ্ছে, যে জায়গায় ইচ্ছে, থামা-চলা, সবই তাদের মর্জি।

উত্তরবঙ্গের রাস্তায় অটোরিকশা চলাচলের একটি বড় সমস্যা হলো এর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণহীনতা। অধিকাংশ অটোচালক অপ্রশিক্ষিত, অনেকেরই বৈধ লাইসেন্স নেই। ‘ট্রেনিং কার’ লিখে যে সব কিশোর ড্রাইভিং শেখার কথা তারাই যাত্রী তোলার প্রতিযোগিতায় মেতে থাকে। এদের জন্য রাস্তাঘাটে গতিসীমা, ট্রাফিক সিগন্যাল, একমুখী রাস্তা সবই কাগুজে আইন। গ্রামীণ বা আঞ্চলিক সড়কে এগুলো তিন চাকার বাইসাইকেল আর তিন চাকার মোটরযানের মাঝামাঝি এক ধরনের হাইব্রিড ভয়ের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জনজীবনে এই দাপটের প্রভাব ভয়াবহ। চারদিক থেকে প্রতিদিন দুর্ঘটনার খবর আসছে তাদের কারণে। যাত্রী আহত, পথচারী নিহত, মোটরসাইকেল বা সাইকেল আরোহী পিষ্ট হওয়ার ঘটনা যেন নিত্যদিনের ঘটনা। অনেক সময় চালকরা নিজেরা আহত বা নিহত হন, কারণ অটোরিকশা ধাক্কা সামলানোর মতো কাঠামোগত নিরাপত্তা বহন করে না। যাত্রী পরিবহনের প্রতিযোগিতা, তাড়াহুড়া, অতিরিক্ত বোঝা, সব মিলিয়ে অটোদানবের ছুটে চলা আসলে মৃত্যুর সঙ্গে দৌড় দেওয়ার নতুন প্রতিযোগিতা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন