You have reached your daily news limit

Please log in to continue


চীন-বাংলা শীর্ষ বৈঠকে যে অজানা তথ্য প্রকাশ করলেন শি জিনপিং

অনেক দিন আগের কথা। সময়টা ছিল পাকিস্তান আমল। সম্ভবত ১৯৫৮ সাল। জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ুব খান সারা পাকিস্তানে সামরিক আইন জারি করেছেন। তখন বাংলাদেশ পাকিস্তানের অংশ ছিল। নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান। পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত হন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজম খান। জেনারেল আজম খান ছিলেন অত্যন্ত অমায়িক এবং মিশুক ব্যক্তি। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের কিছু দিন পরেই সারা পূর্ব পাকিস্তান সফর করেন। এ সফরে তিনি সাধারণ মানুষ অর্থাৎ আমজনতার সঙ্গে মিশে যান। সবার খোঁজখবর নেন এবং প্রান্তিক জনতার সঙ্গে মিশে যান। প্রান্তিক জনতাও দূরদূরান্ত থেকে আসেন তার সঙ্গে মুসাবিদা করতে, অর্থাৎ হাতে হাত মেলাতে। একজন বলিষ্ঠ ফিগারের মানুষ হিসাবে শত শত মানুষের সঙ্গে তিনিও হাত মিলিয়ে আনন্দ পেতেন। সাবেক পূর্ব পাকিস্তানে এসে তিনি এখানকার সাধারণ মানুষকে ভালোবেসেছিলেন। যখনই কোনো সমাবেশে তিনি বক্তৃতা করতেন, তখনই তিনি তাদের সম্বোধন করতেন এই বলে, ‘আমার চাষী ভাই, আমার জেলে ভাই’। পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক আইন প্রশাসক আজম খান বাঙালিদের কাছে প্রিয় হয়ে উঠলেন আমার চাষি ভাই, আমার জেলে ভাই হিসাবে।

অনেক দিন পর একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি ঘটল। তখন পূর্ব পাকিস্তান হয়ে গেছে স্বাধীন বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমান প্রথমে উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসক, তারপর সামরিক আইন প্রশাসক এবং অবশেষে রাষ্ট্রপতি হন। তিনিও খালকাটা কর্মসূচি নিয়ে সমগ্র বাংলাদেশ ঘুরে বেড়ান। এবং এভাবে তিনি বাংলাদেশের জনগণের কাছে দারুণভাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। তিনি যেখানেই গেছেন, সেখানেই প্রান্তিক জনগণ তার সঙ্গে হাত মেলানো অর্থাৎ মুসাবিদা করার জন্য দলে দলে ছুটে আসেন।

কথায় বলে, History repeats itself, অর্থাৎ ইতিহাস নাকি চক্রাকারে ঘোরে। চক্রাকারে ঘুরে সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি দেখলাম ৩১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে। এ জামাতেই ঈদের নামাজ আদায় করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। নামাজ শেষে দেখলাম এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। নামাজ পড়া শেষে হাজার হাজার মানুষ ড. ইউনূসের একটুখানি সান্নিধ্য পেতে চান। হাজার হাজার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ড. ইউনূসের হাতের একটু পরশ পেতে। আর ড. ইউনূসও যতদূর পারছেন হাত মেলাচ্ছেন। কিন্তু তিনি তো ৮৪ বছর অর্থাৎ অশীতিপর এক বৃদ্ধ। তারপরও স্ট্রং অ্যান্ড স্টাউট। যতদূর তার শরীর এবং এনার্জিতে কুলায়, ততদূর তিনি হাত মিলিয়ে চলেছেন।

এ হলো বর্তমান বাংলাদেশে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অবস্থান। একথা সম্ভবত নির্দ্বিধায় বলা চলে, বর্তমানে বাংলাদেশে তিনিই সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তি। তাই গত দুই সপ্তাহ হলো ফেসবুকে ইউনূসের পক্ষে স্ট্যাটাস দেওয়ার জোয়ার, আগামী ৫ বছরের জন্য ইউনূসকে ক্ষমতায় দেখতে চাই। এটি হলো নেটিজেনদের দাবি। তবে এ দাবি নিয়ে আজ আমি আলোচনা করছি না। আজ আমার আলোচনার উপজীব্য হলো প্রধান উপদেষ্টার সফল চীন সফর।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন