মহিমান্বিত রাতের সন্ধানে

দেশ রূপান্তর মুফতি আতিকুর রহমান প্রকাশিত: ১৩ মার্চ ২০২৬, ১০:০০

রমজান মাসের শেষ পর্বে মুসলমানদের হৃদয়ে জাগে বিশেষ প্রত্যাশা। বাড়ে ইবাদতের গভীরতা। রাতগুলো হয়ে ওঠে দীর্ঘ, নিবিড় ও প্রার্থনাময়। কারণ এ সময়েই আছে মহিমান্বিত রাত শবেকদর, যার মর্যাদা ও গুরুত্ব মহান আল্লাহ কোরআনে ঘোষণা করেছেন। শবেকদর সেই অনন্য রাত, যে রাতে অবতীর্ণ শুরু হয়েছিল পবিত্র কোরআন।


যে রাতকে মহান আল্লাহ হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম বলে ঘোষণা করেছেন। এই রাতে রহমতের দরজা উন্মুক্ত থাকে, বান্দার তওবা কবুল করা হয় এবং অগণিত ফেরেশতা পৃথিবীতে অবতীর্ণ হন আল্লাহর নির্দেশ নিয়ে। তাই এই রাত মুমিনের আত্মশুদ্ধি, ক্ষমা প্রার্থনা এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক বিরল সুযোগ। তবে এই রাতের নির্দিষ্ট তারিখ গোপন রাখা হয়েছে। যেন বান্দারা কেবল এক রাতের অপেক্ষায় না থেকে রমজানের শেষ দশকের প্রতিটি রাতে ইবাদতে লিপ্ত থাকে। তাই যুগে যুগে আলেম, সাধক এবং আল্লাহর প্রিয় বান্দারা এই রাতের সন্ধানে ইবাদত, দোয়া ও তওবায় নিজেদের নিবেদিত করেছেন। শবেকদর সম্পর্কে কোথাও স্পষ্ট করে বলা না থাকলেও ইসলামী চিন্তাবিদ ও বুজুর্গরা নিজস্ব ইজতিহাদ, গবেষণা ও গাণিতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে রমজানের ২৭তম রাতে লাইলাতুল কদর হওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা জোর দিয়ে বলে গেছেন।


সেই হিসাবে রমজানের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতকে শবেকদর হিসেবে একটু বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। কোরআনের বিভিন্ন আয়াত দ্বারা প্রমাণিত হয় শবেকদর রমজান মাসে। কিন্তু এর সঠিক তারিখ সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায় না। ইসলামী স্কলাররা বিভিন্ন হাদিস পর্যালোচনা করে বলেন, শবেকদর রমজান মাসের শেষ দশ দিনের মধ্যে আসে। কিন্তু এরও কোনো তারিখ নির্দিষ্ট নেই। বরং যেকোনো রাতে হতে পারে। আবার প্রত্যেক রমজানে তা পরিবর্তিতও হতে পারে। তবে শবেকদর হওয়ার অধিক সম্ভাবনা রয়েছে রমজানের শেষ দশ দিনের বিজোড় রাতগুলোতে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও