শুরু থেকেই অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে বিএনপির টক্কর লেগে আছে। আবার সরকারও যে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানে সন্তুষ্ট নয়, সে কথা হাবেভাবে উপদেষ্টারা জানিয়ে দিচ্ছেন। বিএনপি যখনই দ্রুত নির্বাচনের দাবি সামনে আনে; ছাত্রনেতাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, সংস্কারের আগে কোনো নির্বাচন নয়।
সংস্কার ও নির্বাচন পরস্পরের প্রতিপক্ষ নয়। তারপরও কেউ কেউ এটাকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করাচ্ছেন। কয়েক মাস ধরে নির্বাচনের দিনক্ষণ নিয়ে যে বিএনপির সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের একটা টানপোড়েন চলছে, এটা স্পষ্ট। সংস্কার নিয়ে সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকেও কোনো আশার বাণী শোনা যাচ্ছে না। যে যার অবস্থানে অনড় আছেন।
ছাত্রনেতৃত্ব থেকে গড়ে ওঠা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নতুন বন্দোবস্তের কথা বললেও তাদের কৌশল ও আচরণে পুরোনো রাজনীতির ধারাই বহমান। এনসিপি বলেছে, বিচার ও সংস্কার শেষ হোক, তারপর নির্বাচন। বিএনপির দাবি, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে যেটুকু সংস্কার দরকার, সেটুকু করা হোক। এর বেশি তারা মানবে না।