You have reached your daily news limit

Please log in to continue


দৃষ্টি এখন প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরের দিকে

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার বিগত জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মহান গণ-অভ্যুত্থানের পর আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক অর্থাৎ সার্বিক দিক থেকে বাংলাদেশ বর্তমানে এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে এসে পৌঁছেছে। দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা, বিশেষ করে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের সুচিন্তিত এবং ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তই এখন এই সংগ্রামী জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে বলে তথ্যাভিজ্ঞ মহলের বদ্ধমূল ধারণা। এ দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপিসহ অন্যান্য সংগঠনের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাই আমাদের যাবতীয় সংকট মোকাবেলায় সাহায্য করতে পারে এবং দেখাতে পারে মুক্তি ও সমৃদ্ধির পথ। এ কথা ঠিক যে দল-মত-নির্বিশেষে এ দেশের সবাই বিশ্বাস করে, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও কারচুপিমুক্ত নির্বাচনই পারে জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল একটি সরকার উপহার দিতে।

সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা পাবে, যেখানে প্রকৃত অর্থে নাগরিকদের মানবাধিকারসহ আইনের শাসন নিশ্চিত হবে।

এখন শুধু একটি প্রশ্নই বারবার ঘুরেফিরে আসছে আর তা হচ্ছে, কখন অনুষ্ঠিত হবে সেই কাঙ্ক্ষিত নির্বাচন? চলতি বছর ডিসেম্বরের মধ্যে, নাকি আগামী বছর জুনের মধ্যে? এ ব্যাপারে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অভিমত হচ্ছে, কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র মেরামত কিংবা জাতীয় জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কিছু সংস্কার অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে, যা না হলে দেশ আবার এক চরম নৈরাজ্য, অপশাসন, দুর্নীতি এবং অচলাবস্থার দিকে ফিরে যাবে, যেখান থেকে গঠনশীল রাজনীতি, সমৃদ্ধিশালী অর্থনীতি কিংবা একটি কাঙ্ক্ষিত স্থিতিশীল সমাজব্যবস্থায় ফিরে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। সে কারণেই দল-মত-নির্বিশেষে সবার সঙ্গে পরামর্শ করে গঠন করা হয়েছিল ছয়টি সংস্কার কমিশন, যারা এখন তাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবাবলি নিয়ে প্রস্তুত বলে জানা গেছে। গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন সংস্কার কমিশন তাদের বিভিন্ন সুপারিশ নিয়ে দেশের রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে খুব শিগগির বসবে এবং মতবিনিময় করবে। এবং সে প্রক্রিয়ায়ই নির্ধারিত হবে ঠিক কখন জাতীয় নির্বাচন চূড়ান্তভাবে অনুষ্ঠান করা সম্ভব হবে। তার আগেও নয়, পরেও নয়।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সবার সঙ্গে পরামর্শ করে নির্বাচনের ব্যাপারে একটি গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কারো একক সিদ্ধান্তে যেমন জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়টি আগানো যাবে না, তেমনি পেছানোও যাবে না।

এ ক্ষেত্রে বিএনপি কিংবা জামায়াতে ইসলামী বিগত ১৬ বছর ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের হাতে কিভাবে নিগৃহীত হয়েছে কিংবা ক্ষমতায় আসতে পারেনি, সেটি বিবেচ্য বিষয় নয়, সর্বাধিক আলোচিত বিষয় হচ্ছে, সে ধরনের পরিস্থিতি যেন ভবিষ্যতে জাতির ওপর আবার চেপে বসতে না পারে। কোনোভাবেই যেন দেশে আবার ফ্যাসিবাদ কিংবা চরম আধিপত্যবাদের পুনরুত্থান না ঘটতে পারে, সে ব্যাপারে যথাযথ সাংবিধানিক, প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক ও বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নতুবা জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার মহান গণ-অভ্যুত্থান এবং ছাত্র-জনতা, নারী-পুরুষ-শিশু-নির্বিশেষে এ দেশের নাগরিকদের অকাতরে জীবনদান সম্পূর্ণ বৃথা যাবে। এ ক্ষেত্রে জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মহান গণ-অভ্যুত্থানের নেতাদের বক্তব্য অত্যন্ত পরিষ্কার। তাঁদের মতে, তাঁরা দেশকে আবার আগের অরাজক পরিস্থিতি কিংবা দুঃশাসনের দিকে ঠেলে দিতে চান না।

দেশ ও জাতি চায় সব ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার। অন্যদিকে বিএনপি নেতারা মনে করেন, অবিলম্বে দেশে নির্বাচন দেওয়া প্রয়োজন। নির্বাচিত দল ক্ষমতায় এসে প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করবে। কিন্তু সংগ্রামী তরুণ ছাত্র-জনতার মতে, দেশে ত্বরিত নির্বাচন দেওয়ার মতো পরিবেশ-পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। আগে জরুরি সংস্কার প্রস্তাবগুলো গৃহীত ও বাস্তবায়িত হোক, তারপর দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও কারচুপিমুক্ত একটি নির্বাচন অর্থবহ হবে। সেই প্রক্রিয়া ছাড়া শুধু কারো ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নির্বাচন দেওয়া যুক্তিসংগত হবে না।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন