
বিএনপির ‘লুক ফরোওয়ার্ড’ কৃষিনীতি
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা উদ্যোক্তা তৈরি না করে কর্মসংস্থান খোঁজার জন্য নতুন প্রজন্ম তৈরি করছে।’ বাংলাদেশের ‘কৃষি বিপ্লবের জনক’ শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সেই কৃষি খাত আজ এককভাবে ৪০ শতাংশ উদ্যোক্তা সৃষ্টি করে ন্যাশনাল জিডিপিতে শতকরা ১৪.১০ ভাগ অবদান রাখছে (১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, দৈনিক কালবেলা)।
দেশের সবচেয়ে বড় ব্যক্তিখাতে উদ্যোক্তা শ্রেণি হলো কৃষক, সেই কৃষকের অবস্থা আজ কী, তা আমরা সবাই জানি। কেবল সরকারের ভ্রান্ত নীতি গ্রহণ, কৃষি উপকরণের (সার, বীজ, কীটনাশক ও বিদ্যুৎ) অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং কৃত্রিম সংকট, সেচের অভাব, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য, দুর্বল বাজারব্যবস্থা, সীমিত ও অঞ্চলভিত্তিক কোল্ডস্টোরেজ এবং ডিমান্ড-সাপ্লাই ডেটাবেসের গরমিলের কারণে কৃষি ও কৃষকের অবস্থা আজ রুগ্ণ। এ প্রেক্ষাপটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান একটি সুসংগঠিত কৃষি অর্থনীতি গড়ে তুলতে যেসব পরিকল্পনা নিয়েছেন তা নিম্নরূপ-