You have reached your daily news limit

Please log in to continue


যে কারণে জিততে পারেন কমলা হ্যারিস

রাতারাতি বদলে গেছে মার্কিন নির্বাচনী রাজনীতির চালচিত্র। এক সপ্তাহ আগেও যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ মানুষ ধরে নিয়েছিলেন আগামী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঠেকানোর কোনো পথ নেই। ৮১ বছরের বৃদ্ধ ও ক্ষীণশক্তি জো বাইডেনের পক্ষে তাঁর সঙ্গে পাল্লা দেওয়া সম্ভব হবে না। গত রোববার নির্বাচনী লড়াই থেকে বাইডেন সরে যাওয়ার পর অবস্থা প্রায় পুরোপুরি বদলে গেছে।

ডেমোক্রেটিক পার্টি এখন কার্যত দলীয় প্রার্থী হিসেবে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের প্রার্থিতার ব্যাপারে একমত। নানা মত ও পথে এই দল বিভক্ত। এর অধিকাংশ সমর্থক মধ্যপন্থী অথবা ডানঘেঁষা, অন্যরা বামঘেঁষা। কংগ্রেসের ভেতরে প্রায় ১০০ জন সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের ‘প্রগ্রেসিভ’ বা উদারনৈতিক হিসেবে পরিচয় দিতে ভালোবাসেন।

বিচারব্যবস্থার সংস্কার, পরিবেশ সংকট, অভিবাসন, ইউক্রেন–গাজা ইত্যাদি প্রশ্নে তাঁদের মধ্যে ঠোকাঠুকি রয়েছে। বাইডেনের সরে যাওয়া উচিত কি উচিত নয়, এই প্রশ্নেও তাঁদের মধ্যে মতভেদ ছিল।

রাতারাতি বদলে গেছে মার্কিন নির্বাচনী রাজনীতির চালচিত্র। এক সপ্তাহ আগেও যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ মানুষ ধরে নিয়েছিলেন আগামী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঠেকানোর কোনো পথ নেই। ৮১ বছরের বৃদ্ধ ও ক্ষীণশক্তি জো বাইডেনের পক্ষে তাঁর সঙ্গে পাল্লা দেওয়া সম্ভব হবে না। গত রোববার নির্বাচনী লড়াই থেকে বাইডেন সরে যাওয়ার পর অবস্থা প্রায় পুরোপুরি বদলে গেছে।

ডেমোক্রেটিক পার্টি এখন কার্যত দলীয় প্রার্থী হিসেবে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের প্রার্থিতার ব্যাপারে একমত। নানা মত ও পথে এই দল বিভক্ত। এর অধিকাংশ সমর্থক মধ্যপন্থী অথবা ডানঘেঁষা, অন্যরা বামঘেঁষা। কংগ্রেসের ভেতরে প্রায় ১০০ জন সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের ‘প্রগ্রেসিভ’ বা উদারনৈতিক হিসেবে পরিচয় দিতে ভালোবাসেন।

বিচারব্যবস্থার সংস্কার, পরিবেশ সংকট, অভিবাসন, ইউক্রেন–গাজা ইত্যাদি প্রশ্নে তাঁদের মধ্যে ঠোকাঠুকি রয়েছে। বাইডেনের সরে যাওয়া উচিত কি উচিত নয়, এই প্রশ্নেও তাঁদের মধ্যে মতভেদ ছিল।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন