You have reached your daily news limit

Please log in to continue


সি চিন পিংয়ের জন্মদিন ও চীনের কথা

আজ ১৫ জুন। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বয়স হলো ৭০। শুধু এই কারণে তাঁকে নিয়ে একটা প্রবন্ধ লিখে ফেলব, তা নয়। কিন্তু বিশ্বরাজনীতি নিয়ে কথা বলতে হলে তাঁকে এড়িয়ে যাওয়ারও কোনো পথ নেই। বর্তমান দুনিয়ায় সি চিন পিং যে একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সে ব্যাপারে কারও মনে কোনো প্রশ্ন থাকতে পারে না। বিংশ শতাব্দীর রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নকে পেয়েছিল সর্বাত্মক প্রতিদ্বন্দ্বীরূপে। একবিংশ শতাব্দীতে এসে পৃথিবী দেখছে চীনের সর্বৈব উত্থান। বিশ্ব মোড়লির যুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়ন এখন অতীতের ছায়ামাত্র, মার্কিনি প্রভাবও অচিরেই ক্ষয়িষ্ণু হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা, সেই শূন্যস্থান পূরণ করবে চীন—এমনটাই ভাবা হচ্ছে আজকাল।

ভাবার কোনো কারণ নেই, বিশ্ব মোড়লিপনা করার ইচ্ছে নিয়ে যারা রাজনীতি করে, তারা বিশ্বের মানুষের কাছে মানবতার ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়; বরং বাজার অর্থনীতির বাস্তবতায় ‘যাহা পুঁজিবাদ, তাহাই সমাজতন্ত্র’—এই মূলমন্ত্রে দীক্ষিত হয়েই এগিয়ে চলে রাজনীতির পথ। পণ্য এবং মুনাফাই সবচেয়ে জরুরি বিষয় এই মোড়লিপনায়। রাশিয়া আর ইউক্রেনের মধ্যে যে যুদ্ধ চলছে, তাতে চীনকে রাশিয়া পাশে পেয়েছে বটে, কিন্তু চীন নিজের স্বার্থ ছাড়া রাশিয়ার দিকে বন্ধুত্বের হাত প্রসারিত করেছে, এমনটা ভাবা ঠিক হবে না। সবকিছুর মধ্যেই রয়েছে রাজনীতি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন