You have reached your daily news limit

Please log in to continue


৪০০ মানুষের জন্য তলিয়ে যাওয়া ২ নলকূপ, ২ ভাসমান শৌচাগার

কুড়িগ্রামের বন্যা উপদ্রুত বেশিরভাগ এলাকা থেকে পানি সরে গেছে। কিন্তু, জেলার সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নে ব্রহ্মপুত্রের বুকে জেগে ওঠা দুর্গম 'পোড়ার' চরে এখনো পানিবন্দি দিন কাটাচ্ছে সেখানকার ৮৫ পরিবার। এসব পরিবারের ৪০০-র বেশি মানুষের ভরসা ২টি তলিয়ে থাকা নলকূপ ও ২টি ভাসমান শৌচাগার।

চরের বাসিন্দারা বলছেন, গত ২১ জুন চরটি বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ার পর থেকে ২ নলকূপ পানিতে তলিয়ে আছে। বাধ্য হয়ে তারা ওই নলকূপের পানিই খাওয়া ও রান্নার কাজে ব্যবহার করছেন। এই দুর্বিপাকের ভেতরে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার দেওয়া ২ ভাসমান শৌচাগার চরের বাসিন্দাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে।

চরের বাসিন্দা আব্দুর রহমান (৭৩) দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'বন্যার মধ্যে নৌকা নিয়ে এসে ল্যাট্রিন ব্যবহার করতে বেশ কষ্ট হয়। তারপরেও ল্যাট্রিন (শৌচাগার) ২টা না থাকলে খুব বিপদে পড়তে হতো। কিন্তু, খাওয়া ও রান্নার জন্য পানির অন্য কোনো ব্যবস্থা না থাকায় তলিয়ে যাওয়া টিউবওয়েল থেকেই পানি নিতে বাধ্য হচ্ছি।'

চরের আরেক বাসিন্দা রাশেদা বেগম ডেইলি স্টারকে জানান, তারা জমে থাকা বন্যার পানিতেই গোসল সারছেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন