পুতিনের বিচারের দাবি এখন বৈশ্বিক

প্রথম আলো ইউক্রেন গর্ডন ব্রাউন প্রকাশিত: ২৪ মার্চ ২০২২, ১০:২৬

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে বিশ্ব রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। পাশাপাশি জেলেনস্কি সরকারকে মানবিক ও সামরিক সহায়তা তারা দিচ্ছে। কিন্তু এসব পদক্ষেপ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের যুদ্ধাপরাধ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। ইউক্রেনে প্রতিদিন মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই। ইউক্রেনের জনগণের বীরত্ব ও সংহতি ইউরোপ ও বিশ্বের বেশির ভাগ অংশের মানুষের সম্মিলিত চেতনাকে আলোড়িত করছে। ফলে পুতিন ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অপরাধের বিচারের দাবি জোরালো হচ্ছে।


এই দাবি বৈশ্বিক। বিশ্বের ১৪০ জন খ্যাতনামা আইনবিদ ও সাবেক নেতা ‘ইউক্রেনে আগ্রাসনের অপরাধের বিচারের জন্য বিশেষ আদালত’ গঠনের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। ধারণাটি প্রথম লন্ডনের ফিলিপ স্যান্ডস অব ইউনিভার্সিটি কলেজ থেকে প্রস্তাব করা হয়। ইউক্রেনের প্রধান বিচারক এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন, পুতিন ও তাঁর বাহিনী ইউক্রেনে যে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করেছে, সেটার তথ্য-প্রমাণ তিনি জোগাড় করছেন। জার্মানি ও পোল্যান্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও তাদের নিজেদের মতো তদন্ত শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক আদালতে চিলির সাবেক স্বৈরশাসক অগাস্তো পিনোশের বিচার হয়েছিল। সেই উদাহরণ থেকে স্পেনের একজন ম্যাজিস্ট্রেট একটি মামলার খসড়া তৈরি করছেন, যাতে পুতিন ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা যায়।


এ ছাড়া ৩৯টি দেশের অনুরোধে সাড়া দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান বিচারক ইউক্রেনে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শুরু করেছে। (যদিও আইসিসি আগ্রাসনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে রাশিয়াকে বিচার করার এখতিয়ার রাখে না)। জাতিসংঘ মানবাধিকারবিষয়ক কাউন্সিলের অনুসন্ধান কমিশনের হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচলেট ঘোষণা করেছেন, তাঁর সংস্থা মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও আগ্রাসনের নথিপত্র সংগ্রহ করবে। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত থেকে রাশিয়ার নিয়োগ করা প্রতিনিধি পদত্যাগ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘যথেষ্ট হয়েছে, আর নয়। চরম নিষ্ঠুর পন্থায় আইন লঙ্ঘন করছে, এমন একটি দেশের প্রতিনিধিত্ব করা আমার পক্ষে আর সম্ভব নয়।’


পুতিনের অপরাধের মাত্রা এত বেশি যে উপরিউক্ত সব কটি তদন্ত উদ্যোগ যেমন প্রয়োজনীয়, আবার সেগুলোকে স্বাগত জানানো উচিত। ইউক্রেনের জনগণের কাছে একটা বার্তা পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন যে তাদের সঙ্গে যে অন্যায় হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে বিশ্ব দাঁড়িয়েছে। রাশিয়ার শাসকদের কাছেও এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন যে পুতিনের যুদ্ধের সহায়ক হলে, কেউই দায়মুক্তি পাবে না।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত