You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বিসিবির নির্বাচন হোক সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক

দেশের ক্রীড়াঙ্গনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (ন্যাশনাল স্পোর্টস কাউন্সিল) বহুল আলোচিত, সমালোচিত, বিতর্কিত, আবার প্রয়োজনীয় একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা। এই সংস্থা পরিচালিত হয় ‘ল অব ল্যান্ড’ অনুযায়ী। সব খেলায় আন্তর্জাতিক সংস্থা ও অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের করণীয় কার্যক্রম, ভূমিকা ও এখতিয়ার সম্পর্কে অবগত। প্রতিটি খেলার জাতীয় ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনের গঠনতন্ত্র ক্রীড়া পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত হওয়ার পর এটি আন্তর্জাতিক সংস্থার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়, সেখানে তাদের কোনো রকম পর্যবেক্ষণ থাকলে সেটি তারা অবগত করে, জানতে চায় নতুবা সেটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় অনুমোদন লাভ করে।

গঠনতন্ত্রে যেটি ‘পারমিট’ করে, সেটি থেকে ব্যত্যয় না হলে আন্তর্জাতিক ‘অ্যারেন্টাল’ বডি কখনো হস্তক্ষেপ বা মাথা ঘামায় না। আমরা লক্ষ করেছি, গত বছরের ৬ অক্টোবর ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচনে বিভিন্ন ধরনের অরাজকতা, অনৈতিক কার্যকলাপ, ব্যক্তি ও সমষ্টি স্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে কূটকৌশল অবলম্বন, পরিবেশ ও পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বাধ্য হয়ে জোটভুক্তভাবে এবং ব্যক্তিগতভাবে এক পক্ষের নির্বাচন বয়কট, কাউকে কাউকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে রাখার জন্য অবৈধ হস্তক্ষেপের ফলে সাধারণ ও সচেতন ক্রিকেট অনুরাগী মহলে ব্যাপক অসন্তোষ ও ক্ষোভের জন্ম হয়েছে।

ক্রিকেট তো বাংলাদেশে শুধু একটি খেলা নয়, এটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের ‘ইতিবাচক পরিচিতি’। ক্রিকেট জাতীয় ঐক্য ও সংহতির প্রতীক। ক্রিকেটকে অস্থিরতা ও অস্থিতিশীলতার মধ্যে ঠেলে দেওয়া মানেই সরাসরি ক্রিকেটের ক্ষতি করা। যেকোনোভাবেই ক্রিকেট বোর্ডে চেয়ার ধরে রাখা  এবং পাশাপাশি চেয়ার দখলের অপচেষ্টা তো শুধু কাম্য নয়, নিন্দনীয়ও বটে। প্রতিষ্ঠানের আদর্শ ও নিয়ম-নীতি তো ব্যক্তি মানুষ এবং সমষ্টির চেয়ে অনেক বড়।

মানুষ ক্রিকেটের মধ্যে দেশকে খোঁজে। খোঁজে জাতি চরিত্রের প্রতিফলন। সেই খেলাকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অধিকার ব্যক্তি বা সমষ্টি কারো নেই। প্রচুর অভিযোগ আর সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালের আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়ার পর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে দেয়। এই কমিটি তাদের রিপোর্টে নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনকালে বিভিন্ন ধরনের অরাজকতা, অনৈতিক কার্যকলাপ, নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য কূটকৌশল অবলম্বনের কথা উল্লেখ করেছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন