একটু বড় হওয়ার পর থেকেই আমি ও আমার ভাই বুঝতে পারি যে আমাদের বাবা অন্যদের বাবা থেকে কিছুটা আলাদা। তিনি সব সময় অত্যন্ত ব্যস্ত থাকেন এবং আমাদের স্কুলের পড়াশোনা বা ফলাফল নিয়ে তার কোনো বিকার নেই। তিনি আমাদের স্কুলে ভালো ফলাফলের জন্য কোনো চাপ তো দেনই না, বরং পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা করলে বা খারাপ ফলাফল করলে অভয় দেন যে স্কুলের ফলাফল পরবর্তী জীবনের সাফল্যে তেমন কোনো ভূমিকা রাখে না। তিনি বলেন, স্কুলের পরীক্ষাভিত্তিক পড়াশোনা নিয়ে বেশি হাঁপিয়ে উঠলে জীবনের ‘ম্যারাথন’-এ ক্লান্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার বদলে একটা কঠিন অংক পারলে বা বিতর্ক/ কুইজ/ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেলে তিনি বেশি খুশি হন। এভাবেই কাটে আমাদের বাবা জামিলুর রেজা চৌধুরীর সংস্পর্শে আমাদের ভাবনাহীন শৈশব।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.