কুইক লিঙ্ক : মুজিব বর্ষ | করোনা ম্যাপ | করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

রাষ্ট্রের সার্বিক ক্ষমতার অধিকারী জনগণ: সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি বঙ্গবন্ধু

বাংলা ট্রিবিউন প্রকাশিত: ০৫ জুলাই ২০২০, ০৮:০০

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেন, ‘রাষ্ট্রের সার্বিক ক্ষমতার অধিকারী হলো জনগণ।’

১৯৭২ সালের ৫ জুলাই কুমিল্লা সেনানিবাসে জওয়ানদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের মহান বীর সৈনিকদের প্রতি তার আস্থার কথা জানান।এই সময় তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সৈনিকরা দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় চরম আত্মত্যাগের জন্য সদা প্রস্তুত থাকবেন। স্বাধীনতা নস্যাতের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার জন্য তিনি জওয়ানদের প্রতি আহ্বান জানান।

বঙ্গবন্ধু সশস্ত্র বাহিনীকে জনগণের পাশে থাকার আহ্বান জানান এবং সশস্ত্র বাহিনী জনগণের সঙ্গে থেকেই স্বাধীনতার যুদ্ধ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জাতীয়তাবাদ-সমাজতন্ত্র-গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির প্রতি আস্থা রেখে সৈনিকরা জনগণের সেবার জন্য প্রস্তুত থাকবে।’

ময়নামতি সেনানিবাসের ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর কুচকাওয়াজে এই ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার এই ধরনের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন এটিই প্রথম ছিল।বাংলাদেশের স্বাধীনতা আর কেউ বানচাল করতে পারবে না এবং টিকে থাকার জন্যই বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে বলেও তিনি ভাষণে উল্লেখ করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধকালে সেনাবাহিনী জাতির প্রতি ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের যে মহান ঐতিহ্য স্থাপন করেছে তা থেকে তারা বিচ্যুত হবে না বলেও আশা প্রকাশ করেন বঙ্গবন্ধু। এই সময় জওয়ানরা হাততালি দিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু জিন্দাবাদ, জয় বাংলা স্লোগান’ দিতে থাকেন।

বঙ্গবন্ধু সৈনিকদের উদ্দেশে আরও বলেন, ‘নিয়মানুবর্তিতা ছাড়া সারাবিশ্বে কোনও জাতি তাদের মহত্ব অর্জন করতে পারেনি। বিশেষ করে সেনাবাহিনীতে নিয়মানুবর্তিতা একান্তভাবে প্রয়োজন। নিয়মানুবর্তিতা ছাড়া জাতির ঐক্য সংহতি বিপন্ন হতে পারে। সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ রাইফেলস, মুক্তিবাহিনী, পুলিশ ও জনগণের অবদান আত্মত্যাগ ও বীরত্বের কথা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।’

সেনাবাহিনীর সাজ-সরঞ্জাম ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা আশানুরূপ নয়, এই কথা স্বীকার করে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘বর্তমান মুহূর্তে এছাড়া কোনও উপায় নেই। কারণ দেশের আর্থিক সঙ্গতি বর্তমানে বিরাট সমস্যার সম্মুখীন। স্মরণ রাখতে হবে যে যেখান থেকে তারা এসেছে, সেই গ্রামে তাদের পিতা-মাতা রয়েছেন। তারা সেখানে এক দুঃসহ অবস্থার মধ্যে দিনাতিপাত করছেন। প্রথমে তাদের অবস্থার প্রতিকার করতে হবে।’

এই সময় প্রধানমন্ত্রী প্রচণ্ড হাততালির মধ্যে চারটি রাষ্ট্রনীতির বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন।তারা কি সত্যিই মানুষ- প্রশ্ন বঙ্গবন্ধুতারা কেমন করে এই রকম করতে পারলো? তারা কি সত্যিই মানুষ নাকি পশু? বাকরুদ্ধ কণ্ঠে আপন মনে প্রশ্নগুলো আওড়ান বঙ্গবন্ধু।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও