রাজধানীর অপরাধজগৎ: শীর্ষ সন্ত্রাসীরা মরিয়া আধিপত্য বিস্তারে

www.ajkerpatrika.com ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রকাশিত: ০১ মে ২০২৬, ১১:২৭

রাজধানী ঢাকার অপরাধজগতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা নিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মধ্যে ‘লড়াই’ আবারও প্রকাশ্যে এল হাজারীবাগের শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে। এই হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন হিসেবে নাম শোনা যাচ্ছে অপর দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীর। তাঁদের একজন তাঁরই ঘনিষ্ঠজন। কয়েক মাস আগে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাঈদ মামুন হত্যার নেপথ্যেও ছিল নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা।


পুলিশের সূত্র বলেছে, দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী মোহাম্মদপুরের ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলাল এবং হাজারীবাগের সানজিদুল ইসলাম ইমনের মধ্যে সমঝোতার উদ্যোগ নিয়েছিলেন একটি রাজনৈতিক দলের মোহাম্মদপুর ও ধানমন্ডির মধ্যম সারির কয়েকজন নেতা ও এক আইনজীবী। তবে তা সফল হয়নি।

এদিকে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের এই খুনোখুনিতে চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে নগরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বেড়েছে। তবে পুলিশ বলছে, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।


২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরপর দীর্ঘ দিন কারাগারে থাকা সাত শীর্ষ সন্ত্রাসী জামিনে মুক্তি পান। গণ-অভ্যুত্থানের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়ে। খুন, ছিনতাই, ডাকাতি, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, দখল ও সহিংসতা বেড়ে যায়। এ সুযোগে শীর্ষ সন্ত্রাসীরাও অপরাধজগতে নিজেদের আধিপত্য ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় তৎপর হয়ে ওঠেন। তাঁদের তৎপরতাও আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে ভূমিকা রাখে। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকে মানুষ।

গণ-অভ্যুত্থানের পরপর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়া পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসীরা হলেন ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলাল, সানজিদুল ইসলাম ইমন, মিরপুরের আব্বাস আলী, তেজগাঁওয়ের শেখ মোহাম্মদ আসলাম ওরফে সুইডেন আসলাম, হাজারীবাগের খন্দকার নাঈম আহমেদ ওরফে টিটন, খোরশেদ আলম ওরফে ফ্রিডম রাসু ও তারিক সাঈদ মামুন। ফ্রিডম রাসু পরে আবার গ্রেপ্তার হন। অবশ্য বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে কুষ্টিয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মগবাজারের শীর্ষ সন্ত্রাসী ত্রিমাতি সুব্রত বাইন ও মোল্লা মাসুদকে। তাঁরা কারাগারে আছেন।


পুলিশের সূত্র জানায়, শীর্ষ সন্ত্রাসীরা মুক্তি পাওয়ার পর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এ ক্ষেত্রে বেশি নাম আসে পিচ্চি হেলাল ও ইমনের।


২০২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার বেড়িবাঁধে সাদিক খান আড়তের সামনে নাসির ও মুন্না নামের দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় পিচ্চি হেলালসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা হয়। ২০২৫ সালের ১০ জানুয়ারি রাতে নিউ এলিফ্যান্ট রোডের মাল্টিপ্ল্যান সেন্টার বিপণিবিতানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা নিয়ে ব্যবসায়ী এহতেশামুল হককে কোপানোর ঘটনায় নাম আসে ইমন ও পিচ্চি হেলালের। দুই পক্ষ ঘটনার জন্য পরস্পরকে দায়ী করে। এই দুজনকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও