ইউনাইটেড হাসপাতালে আগুনে পাঁচ রোগীর মৃত্যু অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে হাসপাতালের কেউ কেন আগুন লাগার পর পাঁচ রোগীকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেন না। আর গভীর রাতে তারা পাঁচজনকেই কেন করোনা রোগী বানানোর চেষ্টা করলেন। করোনা আক্রান্ত ছিলেন তো তিনজন।আমি শুরু থেকেই ঘটনাটি ফলো করেছি।
আর সংশ্লিষ্ট অনেকের সঙ্গে কথা বলে আসল ঘটনা জানার চেষ্টা করেছি। আমার নানা প্রশ্ন আর সন্দেহ তখনই প্রবল হয়েছে যখন গভীর রাতে ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ লিখিত বিবৃতি দিয়ে পাঁচজনকেই ‘করোনা সন্দেহে ভতি’ বলেছে। আরও একটি লাইন আছে তাদের বিবৃতিতে। আর তা হলো, ‘সেই সময়ে আবহাওয়া খারাপ ছিল ও বিদ্যুৎ চমকাচ্ছিল।
বাতাসের তীব্রতায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় দুর্ভাগ্যজনকভাবে ভর্তি পাঁচজনকে বের করে আনা সম্ভব হয়নি।’ এবার আমি কিছু তথ্য জানাচ্ছি-১. গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারটি মূল ভবনের বাইরে জরুরি বিভাগের পাশে অস্থায়ীভাবে একমাস আগে করা হয়।২. এই জায়গায় আগে ব্যাডমিন্টন খেলা হতো।৩. সেন্টারটিতে পাঁচটি বেড এবং সামনে স্যাম্পল কালেকশনের জায়গা আছে। ৪. সেন্টারটি ২০ ফুট বাই ১০ ফুট আয়তনের। ৫. ছাদ টিনের। স্টিলের ফ্রেম।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
We use cookies to ensure you get the best experience on our website.