যাত্রীবাহী বাস ও খাম্বাবোঝাই ট্রাকের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ। ছবি : প্রিয়.কম

সড়কে পল্লী বিদ্যুতের খাম্বা, দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ৩

ইয়াহ্ইয়া মারুফ
কন্ট্রিবিউটর, সিলেট
প্রকাশিত: ১৩ জানুয়ারি ২০১৮, ২২:৫১
আপডেট: ১৩ জানুয়ারি ২০১৮, ২২:৫১

(প্রিয়.কম) সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের জৈন্তাপুর উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও খাম্বাবোঝাই ট্রাকের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের শিশুসহ ৩ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। ১৩ জানুয়ারি, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জৈন্তাপুরের দরবস্ত এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার জন্য সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর কর্তৃপক্ষের রাস্তার উপর খাম্বা রাখাকে দায়ী করছেন এলাকাবাসী। উপজেলা প্রশাসনকে জানালেও তারা নীরব ভূমিকায় পালন করেছে বলে জানায় এলাকাবাসী। দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহার উদ্দিন বাহার বলেন, ‘বারবার তাগিদ দিলেও খাম্বা সরায়নি কর্তৃপক্ষ।’

পল্লী বিদ্যুতের খাম্বা। ছবি: প্রিয়.কম

পল্লী বিদ্যুতের খাম্বা। ছবি: প্রিয়.কম   

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সিলেট থেকে ছেড়ে আসা বিরতী বাসের (সিলেট-জ-১১-০৪৬৮) সঙ্গে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর খাম্বাবোঝাই ট্রাকের (চট্ট-মেট্রো-ট-১১-৫৯৯০) মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে এক শিশু ও দুই নারীসহ তিনজন নিহত হন।

নিহতরা হলেন-মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভাড়াউরা গ্রামের তপন তালুকদারের স্ত্রী শুক্লা রানী (২০), তার শিশুকন্যা ইতপা রানী (৫), তার শাশুড়ি অমকা রানী (৫৫)। নিহত শুক্লা রানী গোয়াইনঘাটে ব্র্যাকের রাধানগর শাখায় কর্মরত ছিলেন।

এ ছাড়া আহতরা হলেন-হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার মিলন চার্য (৩২), তার স্ত্রী শিপ্রা চার্য (২৩), জৈন্তাপুর উপজেলা দরবস্ত ইউনিয়নের ভাইট গ্রামের মৃত সাইফউল্লার ছেলে হাবিবুর রহমান (৫০)। বাকিদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।

দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল শিশুসহ তিনজনের। ছবি: প্রিয়.কম

দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল শিশুসহ তিনজনের। ছবি : প্রিয়.কম 

জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খান মো. মাইনুল জাকির ঘটনাস্থল থেকে প্রিয়.কম-কে জানান, নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনার পর স্থানীয় জনতা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ অফিসের সামনে বিক্ষোভ করেন। তবে এ ব্যাপারে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর কোনো কর্মকর্তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি। 

প্রিয় সংবাদ/হিরা/শান্ত/আজাদ চৌধুরী