You have reached your daily news limit

Please log in to continue


‘এই রাস্তার পাশে কত বছর ধইরে পইড়ে আছি’

খুলনার কয়রা উপজেলার ফতেকাঠি গ্রামের সড়ক ধরে গিলাবাড়ি লঞ্চঘাটের দিকে যেতে যেতে হঠাৎ চোখ আটকে যায় রাস্তার ধারে। চারপাশের টিন, গোলপাতা কিংবা খড়ের ঘরের ভিড়ে আলাদা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এক বিচিত্র ঝুপড়ি। দূর থেকে মনে হয়, রঙিন কাপড় দিয়ে কেউ যেন ছোট্ট কোনো মেলা সাজিয়েছে। কাছে গেলে বোঝা যায়, এটি একটি পরিবারের বসতঘর।

ঘরটির চাল, বেড়া, এমনকি দরজার পর্দাটুকুও তৈরি হয়েছে নানা রঙের পুরোনো কম্বল আর কাপড় দিয়ে। কোথাও নীল কম্বল, কোথাও বেগুনি রঙের চাদর, কোথাও আবার জীর্ণ কাপড়ের টুকরা সেলাই করে জোড়া দেওয়া। শীতকালে মানুষের কাছ থেকে এসব কম্বল সহায়তা হিসেবে পেয়েছিল পরিবারটি।

গতকাল শনিবার সকালে গিয়ে দেখা যায়, ঘরের সামনে একটি বালতিতে পানি নিয়ে থালাবাসন ধুচ্ছেন এক নারী। পাশে লাঠিতে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন এক বৃদ্ধ। রাস্তা দিয়ে যাওয়া মানুষের দিকে চুপচাপ তাকিয়ে আছেন তিনি। নাম তাঁর ছবর আলী শেখ। বয়সের ভারে কণ্ঠ জড়িয়ে আসে, তবু বলতে থাকেন।

ধীরে ধীরে ছবর আলী বললেন, ‘আমরা এই ঘরের মধ্যি ছয়জন মিলে থাকি। নিজেগের কোনো জায়গাজমি নাই। ভিক্ষা করি, মানুষ যা দেয়, তা–ই দিয়া খাই। যদি কোথাও একখান ঘর পাইতাম, আমরা সেইখানে গিয়া থাকতাম। এই রাস্তার পাশে শান্তি নাই। কেউ কেউ আইসে কয়, এই জায়গা তাগের জমি, এইখান থেইকে উঠে চইলে যাতি হবে।’

পাশে বসে থালাবাসন ধোয়ার ফাঁকে কথা বলেন ছবর আলীর মেয়ে আসমা বেগম। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। তবু সংসারের গল্প বলতে ভুল হয় না তাঁর।

আসমা বেগম বলেন, ‘আমরা এলাকায় এলাকায় ঘুরি, ভিক্ষা করি। আমার বর আছে, মাঝেমধ্যে আসে। এখন খুলনা শহরে আছে।’ এই ঘরে কারা থাকেন, জানতে চাইলে আঙুল গুনে তিনি বলেন, ‘আমি, আমার বর, দুইডা বাচ্চা, আব্বা আর আম্মা।’

ঘরের চারপাশের এত কম্বল কোথা থেকে এল, প্রশ্ন করতেই শিশুর মতো হেসে ওঠেন আসমা। বলেন, ‘শীতকালে মানুষ দেয়। প্রতিবছর দু-একটা পাই। এইবার জমানো সব কয়টা দিয়া ঘরটা বানাইছি। আবার শীত আইলে খুলে গায়ে দিবানে।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন