বিলুপ্ত ছিটমহলের বাসিন্দারা এখন কেমন আছেন
প্রথম আলো
প্রকাশিত: ০১ আগস্ট ২০২৬, ১৪:১৩
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়ের আগে নাগরিক অধিকার ও রাষ্ট্রীয় সেবা থেকে বঞ্চিত থাকার অভিজ্ঞতা এখনো ভুলতে পারেননি সিরাজুল ইসলাম। তাঁর ভাষায়, ২০১৫ সালের আগে তাঁদের ঠিক মানুষের মর্যাদা ছিল না; ছিটমহল বিনিময়ের পর মানুষের খাতায় নাম উঠেছে।
সিরাজুল ইসলাম কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বিলুপ্ত ছিটমহল দাসিয়ারছড়ার বাসিন্দা। সাইকেল মেরামতের কাজ করেন। গত ২৫ জুলাই কালীরহাট বাজারে তাঁর সঙ্গে কথা হয়।
২০১৫ সালের ছিটমহল বিনিময়ের পর দাসিয়ারছড়ায় দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। বেশির ভাগ সড়ক পাকা হয়েছে, বাড়িতে পৌঁছেছে বিদ্যুৎ, প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কালীরহাট বাজারের একটি চায়ের দোকানে কথা হয় রসুল আলীর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ছিটমহল বিনিময়ের আগে এখানে কেউ মন খুলে হাসতে পারেনি। এখন আমরা মন খুলে হাসতে পারি।’