কিভাবে হয় ম্যাচ ফিক্সিং? জেনে নিন…

priyo.com
লেখক
প্রকাশিত: ২৬ মে ২০১৫, ০৯:৪৩
আপডেট: ২৬ মে ২০১৫, ০৯:৪৩

(প্রিয়.কম) সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় একটি সংস্থা জানিয়েছে, বছরে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা ম্যাচ ফিক্সিংয়ে লেনদেন হয় বিশ্বজুড়ে। আর প্রশাসনের কড়া নজর থাকলেও এখনও পর্যন্ত বেটিংকে থামানোর কোনও প্রতিষেধক পাওয়া যায়নি। এত টাকার লেনদেনের লোভ সামলাতে না পেরেই বাজিকররা এতে জড়িয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন পুলিশ। কিভাবে হয় এই ম্যাচ ফিক্সিং। এক বাজিকরের জবানি থেকে জানাচ্ছে ভারতীয় গণমাধ্যম ওয়ান ইন্ডিয়া… যতদিন ক্রিকেট থাকবে, ততদিন থাকবে ম্যাচ-ফিক্সিং এখনকার দিনে সাধারণভাবে গোটা ম্যাচ ফিক্সিং হয় না। সম্পূর্ণ ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করা এখন কঠিন হয়ে গিয়েছে। এর বদলে ম্যাচের সেশন ধরে ধরে ফিক্সিং করাটাই এখন ‘রীতি’। কারণ, গোটা ম্যাচ গড়াপেটা করতে গেলে পুরো টিমকে বা ম্যানেজমেন্টকে জড়িয়ে নিতে হয়। যা এখনকার দিনে করা খুব কঠিন। এতে ধরা পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তার বদলে টিমের ১-২ জনকে ধরেই ফিক্সিং করা হয়। পুরোটাই নিয়ন্ত্রিত হয় দুবাই থেকে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রায় পুরোটাই নিয়ন্ত্রিত হয় দুবাই থেকে। ধরা যাক, দিল্লী আর কলকাতায় দুটি আলাদা আলাদা দল কাজ করে। এক্ষেত্রে দিল্লী আর কলকাতার দলের মধ্যে কোনও সম্পর্ক থাকে না। তাদের সঙ্গে আলাদা আলাদাভাবে যোগাযোগ রাখা হয় দুবাই থেকে। এভাবে গোটাটাই দুবাইয়ের 'টিম' নিয়ন্ত্রণ করে। পুলিশের মতে, গোটা বিষয়টাই অত্যন্ত জটিল। কারণ ভারতে বেটিং নিষিদ্ধ হলেও কিছু দেশে তাতে আইনের ছাড় আছে। ফলে অপরাধীরা সেই দেশগুলি থেকে গোটা প্রক্রিয়াটিকে নিয়ন্ত্রণ করে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা রোধ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে যায়। ছোট ফর্ম্যাটের খেলাগুলিকে 'ফিক্স' করা হয় এখন এখনকার ট্রেন্ড হল ছোট ফর্ম্যাটের খেলাগুলিকে 'ফিক্স' করা। আর এক্ষেত্রে 'স্পট ফিক্সিং'-ই বুকিদের কাছে 'হট ফেভারিট'। টি-টোয়েন্টি বা পঞ্চাশ ওভারের ম্যাচকেই সাধারণভাবে বেছে নেওয়া হয়। টেস্ট ম্যাচে সাধারণত ফিক্সিং হয় না। হলেও ম্যাচের কয়েকটা সেশনকে বেছে নেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, এখনও গোটা প্রক্রিয়াতেই হাওয়ালা নেটওয়ার্কে মাধ্যমেই টাকা লেনদেন হয়। এক্ষেত্রে দিল্লীতেই হাওয়ালার টাকার ৮০ শতাংশ আসে। যেভাবে টাকা ভারতে ঢোকে, ঠিক সেই পথেই তা দেশের বাইরে দুবাইয়ে চলে যায়।