চার মহাদেশে চার নির্বাচন যে বার্তা দিচ্ছে

প্রথম আলো সালেহ উদ্দিন আহমদ প্রকাশিত: ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২১:১৪

গত চার সপ্তাহে চার মহাদেশের চার দেশে জাতীয় নির্বাচন হয়ে গেল। এই নির্বাচনগুলো অনেক নতুন খবরের জন্ম দিয়েছে।


প্রতিটি দেশের নির্বাচন সেই দেশের জনগণের আশা–আকাঙ্ক্ষাকে তুমুলভাবে জানিয়ে দিয়েছে।


এই চার দেশের ভৌগোলিক অবস্থান, ভোটের ধরন ও রাজনীতি অনেকভাবে ভিন্ন। তবে আজকালকার যুগে এক দেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও সাফল্য-বিফলতা অন্য দেশেও ছায়া ফেলে।


আমরা এই চার দেশের জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আলোচনা করে দেখতে পারি ভূরাজনীতির নতুন যুগে কীভাবে বিশ্ব জনমত গঠিত হচ্ছে এবং এক দেশের রাজনৈতিক অবস্থা অন্য দেশের নির্বাচনে কী প্রভাব ফেলে।


ইউরোপের সার্বিয়ার নির্বাচন কি ইউরোপের অন্যান্য দেশে জেন-জি আন্দোলনের সাফল্যের পূর্বাভাস দিচ্ছে?


দক্ষিণ আমেরিকার ডানপন্থী রাজনীতিকে অগ্রাহ্য করে ব্রাজিলের লুলার পুনর্নির্বাচন কি ট্রাম্পের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরব প্রতিবাদ?


এশিয়ায় ইসরায়েলের নির্বাচন কি নেতানিয়াহুর ৩০ বছরের যুদ্ধনীতিতে ইসরায়েলিদের অতিষ্ঠ হওয়ার লক্ষণ? ৩ নভেম্বরের আমেরিকার নির্বাচনে মানুষ কি ‘ট্রাম্প ফার্স্ট’-এর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে?


এই সব প্রশ্নগুলোর উত্তর হয়তো সহজ ‘হাঁ’ বা ‘না’-তে দেওয়া যাবে না। তবে উত্তরগুলো খুঁজে দেখলে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষের চাওয়া-পাওয়ার কিছু সাধারণ সূত্র আমরা খুঁজে পেতে পারি।


যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্পের বেলুন ধপাস করে পড়ে গেল


৩ নভেম্বর হয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তীকালীন সাধারণ নির্বাচন। সারা বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক নির্বাচন দারুণ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্পের বেলুন গত দুই বছর শুধু ওপরেই উঠছিল, এই নির্বাচনে তা ধপাস করে নিচে পড়ে গেল।


তবে এতে আশ্চর্যের কিছু ছিল না। কয়েক সপ্তাহ ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জনমত জরিপ রিপাবলিকান দলের এই ভরাডুবির পূর্বাভাস দিয়ে আসছিল।


নির্বাচনে ট্রাম্প ও তাঁর দলের চূড়ান্ত ভরাডুবি হয়েছে। ডেমোক্র্যাটরা সিনেটের ১০০ আসনের মধ্যে ৫৪ আসনে জয়লাভ করেছে। নিম্ন পরিষদ কংগ্রেসে তারা ৪৩৫ আসনের মধ্যে ২৫৩ আসনে বিজয়ী হয়েছে।


এই নির্বাচন এমন সব খবরের জন্ম দিয়েছে, যা আলোচনা করতে গেলে বেশ কয়েকটা কলামের প্রয়োজন হবে। টেক্সাস যুক্তরাষ্ট্রের বড় একটা অঙ্গরাজ্য।


যে টেক্সাসকে রিপাবলিকানদের দুর্গ বলে মনে করা হতো, সেখানে কংগ্রেস, সিনেট এবং গভর্নর সর্বত্রই তাদের সিংহাসন ভেঙে পড়েছে।


কানসাস অঙ্গরাজ্যে গত এক শ বছরে এই প্রথম একজন ডেমোক্র্যাট সিনেটর নির্বাচিত হলেন।


যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক মানচিত্রে যেসব অঙ্গরাজ্য লাল রঙে রিপাবলিকানদের জন্য সংরক্ষিত করে রাখা হতো, সেগুলোও এবারের নির্বাচনে নীলের প্লাবনে ভেসে গিয়েছে।


এই নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারার কারণ নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলেছেন। কেউ বলেছেন ইরান যুদ্ধ, কেউ বলেছেন কানাডার মতো বন্ধু দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধ, আবার কেউবা বলেছেন জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি।


এগুলোর সবই হয়তো ঠিক, তবে এত সব ব্যবচ্ছেদ না করে, সংক্ষেপে বলা যায়—ট্রাম্পের জন্যই তারা হেরেছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও