দীর্ঘ ৯ বছর পর উন্মুক্ত ওসমানী উদ্যান, কী আছে সেখানে

ডেইলি স্টার প্রকাশিত: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১৩:২৫

প্রায় নয় বছর ধরে নির্মাণকাজের আড়ালে ঢাকা পড়ে ছিল ওসমানী উদ্যান। চারপাশ ভরা ছিল বড়-ছোট নির্মাণ সামগ্রীতে, ফটকে ঝুলত তালা, আর উদ্যানটির ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিল অনিশ্চয়তা। স্থানীয় বাসিন্দারা যখনই জানতে চাইতেন, উদ্যানটি কবে খুলবে, উত্তর মিলত ঘুরে ফিরে একটাই—উন্নয়নকাজ চলছে।


অবশেষে খুলেছে উদ্যানের ফটক, প্রায় ১৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে পুনর্নির্মাণের পর। তবে একটি প্রশ্ন নতুন করে সামনে এসেছে: ঢাকা কি তার প্রিয় সবুজ উদ্যানটিই ফিরে পেয়েছে? নাকি কংক্রিট, নতুন স্থাপনা আর স্মৃতিস্তম্ভের আড়ালে হারিয়ে গেছে এর অনেক বৈশিষ্ট্য?


ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মালিকানাধীন ওসমানী উদ্যানটি বাংলাদেশ সচিবালয় ও নগর ভবনের মাঝখানে অবস্থিত। আর এখানেই সংযোগ হয়েছে পুরান ঢাকা সঙ্গে নতুন ঢাকার। কয়েক দশক ধরে গুলিস্তানের যানজট, দোকানপাট ও মানুষের ভিড় থেকে নগরবাসীকে স্বস্তির পরিসর দিয়ে এসেছে এই উদ্যানের গাছপালা, সবুজায়ন।


গত ১৯ অক্টোবর সংস্কারকৃত উদ্যান ও এর ভেতরে স্থাপিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরদিন এটি খুলে দেওয়া হয় জনসাধারণের জন্য।  


পুলিশ সদর দপ্তরের বিপরীতে প্রধান প্রবেশপথ। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে কংক্রিটের নকশায় ইংরেজি ‘২৪’-এর অবয়ব। নতুন দুটি ফটকের সঙ্গে বদলে গেছে ভেতরে ঢোকার ব্যবস্থাও।


প্রধান ফটক পেরোলেই বাঁয়ে জলাশয়, সামনে ফোয়ারার অংশ। গাছের ফাঁক দিয়ে চলে গেছে বাঁধানো পথ। জলের ধার বরাবর হাঁটা, কোথাও বসে থাকা, কোথাও উঁচু জায়গা থেকে নিচের সবুজ দেখা—নতুন নকশায় চলাচলের একাধিক ধরন রাখা হয়েছে। পুরোনো উদ্যানের তুলনায় পথ ও বসার জায়গাগুলো অনেক বেশি পরিকল্পিত।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও