মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর ঘিরে ভারত কেন আলোচনায়?

বিবিসি বাংলা (ইংল্যান্ড) মাতারবাড়ি পোর্ট প্রকাশিত: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩০

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত মাসের শেষ সপ্তাহে টোকিও সফরে গিয়েছিলেন, সেখানে দুই দেশের যৌথ ঘোষণায় নতুন করে উঠে এসেছে জাপানের বিগ-বি প্রকল্প।


সফরে জাপান এবং বাংলাদেশের ফ্ল্যাগশিপ এই প্রকল্প নতুন স্তরে উন্নীত হয়েছে। যেটাকে যৌথ ঘোষণায় বলা হয়েছে "বিগ-বি ফর শেয়ারড প্রসপ্যারিটি" বা অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বিগ-বি উদ্যোগ।


কিন্তু এই বিগ-বিকে ঘিরে দুটো বিষয় নিয়ে বিশেষ আলোচনা হচ্ছে। একটি হচ্ছে, যৌথ ঘোষণায় কানেক্টিভিটির প্রসঙ্গ। আরেকটি হচ্ছে, ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের উল্লেখ এবং এর গুরুত্ব স্বীকার করে নেওয়া।


বিশেষত কানেক্টিভিটির নামে ভারতকে কোনো বিশেষ সুবিধা দেয়া হচ্ছে কি-না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। দেশটির প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ঢাকায় এক জনসভায় এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।


যদিও সরকার জানাচ্ছে, এ ধরনের কোন উদ্দেশ্য নেই। কিন্তু বিগ-বি উদ্যোগকে ঘিরে বাংলাদেশের মাতারবাড়িতে আসলে কী হচ্ছে?


বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিকল্পনা থেকে যেভাবে গভীর সমুদ্রবন্দর


মাতারবাড়ি হচ্ছে বাংলাদেশের সমুদ্রতীরবর্তী কক্সবাজার জেলার একটি ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নে বাংলাদেশ-জাপান প্রথমে একটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছিল।


সেটাও ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ আমলে। সেই সময় চুক্তি হওয়ার পর এর কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে।


সরাসরি সমুদ্রের তীরে না করে সমুদ্র থেকে ১৪ কিলোমিটার ভেতরে মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির কাজ শুরু হয়। যেহেতু বিদ্যুৎকেন্দ্রটি কয়লাভিত্তিক ফলে কেন্দ্রে কয়লা আনা-নেওয়ার জন্য তৈরি করা হয় নৌ-চ্যানেল।


সমুদ্রের তীর থেকে মাটি কেটে সার্বক্ষণিক কয়লা পরিবহনের জন্য ২৫০ মিটার চওড়া এবং ১৪ কিলোমিটার লম্বা চ্যানেল তৈরির কাজ শুরু হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও