অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, সমালোচনার জবাবে যা বললেন তিনি

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১:৫৭

গাড়ি থেকে নেমেই আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন চিৎকার করে বললেন, ‘এই ধর ধর ধর...।’ তাঁর পাশ থেকে একজনকে বলতে শোনা গেল, ‘একেবারে গুলি করে দেব।’


প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা দেহরক্ষীরা তখন কয়েকজনকে ধরতে দৌড়াচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে লাথিও দেন এক দেহরক্ষী।


রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন–সংলগ্ন দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর রেলগেট এলাকায় আজ শনিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।


ইশরাক হোসেনের ফেসবুক পেজে ঘটনার ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে সেই ভিডিও ‘ভাইরাল’ হয় এবং আলোচনা শুরু হয়। আরেকটি ভিডিওতে আটক ব্যক্তিদের পুলিশের হাতে তুলে দিতে দেখা যায়।


ভিডিওতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের হাতে থাকা পিস্তলটি অস্পষ্ট বা ব্লার করে দেওয়া হয়েছে। তবে কিছু অংশে অস্পষ্ট করা হয়নি। সেখানে স্পষ্টই দেখা যায়, তাঁর হাতে পিস্তল রয়েছে।


ভিডিওতে দেখা যায়, প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের সঙ্গে থাকা আরও দুই ব্যক্তির হাতে আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে।


প্রতিমন্ত্রী যা বললেন


প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের ঘটনায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। তার মধ্যে রয়েছে—


এক. প্রতিমন্ত্রীর হাতে থাকা অস্ত্রটি বৈধ কি না?


দুই. বৈধ হলেও একজন প্রতিমন্ত্রী কি এভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করতে পারেন কি না?


তিন. মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের যদি এভাবে অভিযান পরিচালনা করতে হয়, তাহলে পুলিশের কাজ কী?


চার. সিস্টেম বা ব্যবস্থা ঠিক না করে এভাবে একজন প্রতিমন্ত্রীর অভিযান গ্রহণযোগ্য কি না?


প্রতিমন্ত্রী ইশরাক প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর হাতে থাকা অস্ত্রটি বৈধ।


প্রতিমন্ত্রী ইশরাক ঢাকা-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দেওয়া তাঁর হলফনামায় আগ্নেয়াস্ত্র থাকার কথা উল্লেখ করা হয়নি।


প্রতিমন্ত্রী ইশরাক বলেন, তিনি অস্ত্রটি নিয়েছেন ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করার পর। যখন তিনি এটি নিয়েছেন, তখন মনোনয়নপত্রে দেখানোর সুযোগ ছিল না।


মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ছিল ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর। প্রতিমন্ত্রী ইশরাক মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ২৮ ডিসেম্বর।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও