You have reached your daily news limit

Please log in to continue


কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ রাখতে ট্রাম্পের প্রলোভন!

কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার চেষ্টায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রিপাবলিকানরা যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিবেশ ঘোলাটে করে তুলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ২০২৪ সালে ট্রাম্প যেসব অঙ্গরাজ্যে খুব সহজে বিজয় নিশ্চিত করেছিলেন, সেসব স্থানে অবস্থান ধরে রাখতে এখন বিপুল ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা গড়ে তুলতে হচ্ছে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আর মাত্র ছয় সপ্তাহ বাকি; কিন্তু রিপাবলিকানদের জন্য পরিবেশের এতটাই অবনতি ঘটেছে যে, নির্বাচনি লড়াইয়ে তাদের হিসাব-নিকাশ এলোমেলো হয়ে গেছে। ডেমোক্রেটরা এতে বেশ খুশি, কারণ তারা রিপাবলিকান অঙ্গরাজ্যগুলোকে এর আগে কখনো এতটা অনুকূল ভাবতে পারেনি। তবুও তারা সতর্ক, আমেরিকান নির্বাচনি মানচিত্র কারও ভাবনার চেয়েও জটিল। ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউজে আসার দুই বছরও কাটেনি। কিন্তু এরই মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে তার এবং দলীয়ভাবে রিপাবলিকানদের জনপ্রিয়তা হ্রাস পাওয়ার পেছনে কাজ করেছে তার শুল্কনীতি এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে বেড়ে যাওয়া জ্বালানিসহ ভোগ্যপণ্য এবং জরুরি সেবার উচ্চমূল্য নিয়ে সাধারণভাবে আমেরিকানদের ক্রমবর্ধমান ক্ষোভ, যা দেশজুড়ে রিপাবলিকানদের জন্য গুরুতর সমস্যা তৈরি করছে।

ফেডারেল রিজার্ভ গত সপ্তাহে সুদের হার বৃদ্ধি করায় বাড়ির মর্টগেজ হার, গাড়ির ঋণ, ক্রেডিট কার্ডের ঋণের জন্য সুদহার আরেক ধাপ চাপ সৃষ্টি করেছে ঋণগ্রহীতাদের ওপর। ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জ্বালানি তেলের মূল্যে কোনো স্বস্তি আশা না করার জন্য ট্রাম্পের বক্তব্য রিপাবলিকানদের জন্য আরও সংকট সৃষ্টি করেছে।

১৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক টাইমস এবং সিয়েনা ইউনিভার্সিটির যৌথ জাতীয় জরিপ ফলাফলে দেখা গেছে, ডেমোক্রেটরা কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের চেয়ে প্রায় ৯ শতাংশ পয়েন্টের সুবিধা নিয়ে এগিয়ে আছে। নির্বাচনের মাত্র ৬ সপ্তাহ আগে এটি বড় একটি ব্যবধান, যা ডেমোক্রেটদের জয়লাভের আশাকে প্রবল করেছে।

কংগ্রেসের নিুকক্ষ বা হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের মাইনরিটি লিডার নিউইয়র্কের কংগ্রেসম্যান হাকিম জেফ্রিস বলেছেন, ‘রিপাবলিকানরা আতঙ্কিত এবং হাউজে নিয়ন্ত্রণ হারানোর দ্বারপ্রান্তে। সিনেটেও তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানো সময়ের ব্যাপার মাত্র। তবে উভয় দলই হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ ও সিনেটের প্রতিযোগিতাকে এত বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে যে, তারা কংগ্রেসে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লড়াইকে এখনো পরিবর্তনশীল ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বলে বিবেচনা করছে। নির্বাচনি বিজ্ঞাপনে দুদলই পরস্পরের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করছে। তারা বিজ্ঞাপন খাতে বিপুল অর্থ ব্যয় করছে-নিজ নিজ নিয়ন্ত্রণাধীন অঙ্গরাজ্যগুলো যাতে কোনোভাবে হাতছাড়া হয়ে না যায়।

ডেমোক্রেটদের সুবিধা বেশি, যেসব অঙ্গরাজ্যে তারা আগে কখনো জয়ের ধারেকাছে আসতে পারেনি, ট্রাম্পের জনস্বার্থবিরোধী নীতির কারণে সেই রাজ্যগুলোর দরজা ডেমোক্রেটদের জন্য অনেকটা উন্মুক্ত হয়ে গেছে। ডেমোক্রেট ক্যাম্পেইনের দাবি হচ্ছে, তারা রিপাবলিকানদের দখলে থাকা ৫৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, যার মধ্যে কয়েকটি এমন আসনও রয়েছে, যেখানে দুই বছর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০ পয়েন্ট পর্যন্ত ব্যবধানে জয়লাভ করেছিলেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যদিও ইঙ্গিত দিয়েছেন, মধ্যমেয়াদি নির্বাচনের ঠিক আগে ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটতে পারে। মুখরক্ষার জন্য তিনি দাবি করেছেন, তেহরান নিয়মিতভাবে ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ করে কূটনৈতিক সমঝোতার পথ খুঁজছে। কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে তা মনে হয় না। নিজ দেশে জনমতের ধাক্কা সামলাতে তিনি গত কয়েক মাস ধরেই যুদ্ধবিরতির কথা বলছেন; কিন্তু বাস্তব কোনো সমাধানের পথে অগ্রসর হওয়ার পরিবর্তে কোনো না কোনো নতুন শর্ত সামনে এনে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় বোমা হামলা চালিয়েছেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন