রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সহায়তায় যেভাবে লাভবান হবে চীনও

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২২

প্রায় এক দশক ধরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের নানা চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সংকট সমাধানে আবারও আঞ্চলিক কূটনীতির দিকে নজর দিচ্ছে বাংলাদেশ। চলতি মাসে ঢাকা জানিয়েছে, রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে চীন ও মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করার পরিকল্পনা রয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার দীর্ঘদিনের বাস্তুচ্যুতি শেষ পর্যন্ত কেবল রাজনৈতিক সমাধানের মাধ্যমেই নিরসন করা সম্ভব। বাংলাদেশ বরাবরই বলে আসছে, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন হতে হবে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই।



এই প্রক্রিয়ায় চীনের অংশগ্রহণ স্বাভাবিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উভয় দেশের সঙ্গেই চীনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশেই চীনের বড় অর্থনৈতিক স্বার্থ রয়েছে এবং বঙ্গোপসাগর ঘিরে স্থিতিশীলতার প্রতিও বেইজিংয়ের সরাসরি আগ্রহ রয়েছে। বহু বছর ধরেই রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতায় যুক্ত চীন। ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সঙ্গে মিলে একটি ত্রিপক্ষীয় কাঠামো গঠনেও সহায়তা করেছিল দেশটি। এর লক্ষ্য ছিল রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সহজ করা এবং রাখাইন রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করা।


নতুন করে শুরু হতে যাওয়া আলোচনা তাই রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু একটি মানবিক সমস্যা হিসেবে দেখার বাইরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করছে। বরং এটিকে এমন একটি আঞ্চলিক সমস্যা হিসেবে দেখা যায়—যেখানে চীনের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ ক্রমেই এক জায়গায় এসে মিলছে।


রাখাইন রাজ্যে স্থিতিশীলতা ফিরলে চীন বিভিন্নভাবে লাভবান হতে পারে।

প্রথমত, এর সঙ্গে অর্থনৈতিক স্বার্থ জড়িত। চীনের আঞ্চলিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক সংযোগ পরিকল্পনায় রাখাইন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। চীন ও মিয়ানমার চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডরের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কায়াউকফিউ গভীর সমুদ্রবন্দর। মিয়ানমারের উপকূল থেকে চীনে যাওয়া তেল ও গ্যাসের পাইপলাইনও এই অঞ্চলকে যথেষ্ট কৌশলগত গুরুত্ব দিয়েছে। গত জুনে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের চীন সফরের সময় দুই দেশ আবারও অর্থনৈতিক করিডর এবং অন্যান্য অবকাঠামো প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও