কক্সবাজার সৈকতের ভাঙন কেন তীব্র হচ্ছে, এ কিসের ইঙ্গিত

প্রথম আলো কক্সবাজার জেলা প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৫

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ প্রশস্ত বালুচর। কিন্তু গত কয়েক বছরে সৈকতের বিভিন্ন অংশে ভাঙন তীব্র হওয়ায় সেই বালুচরই সংকুচিত হয়ে এসেছে। কোথাও তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত ও খাল, কোথাও ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে জিও ব্যাগের বাঁধে। ভাঙনের সঙ্গে বিলীন হচ্ছে বালিয়াড়ি ও ঝাউগাছও।


৯ সেপ্টেম্বর সরেজমিনে লাবণী থেকে কলাতলী পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার সৈকত ঘুরে অন্তত ১৫টি অংশে ভাঙনের চিত্র দেখা গেছে। কোথাও জিও ব্যাগ ছিঁড়ে গেছে, কোথাও নিচ থেকে বালু সরে গিয়ে ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়েছে। আবার কোথাও বালুচর কেটে তৈরি হয়েছে দীর্ঘ খাল।


পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা প্রথম আলোকে বলেন, জোয়ারের ধাক্কায় অনেক জায়গায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ছিঁড়ে গেছে। শুধু জিও ব্যাগ দিয়ে দীর্ঘ মেয়াদে সমুদ্রভাঙন ঠেকানো সম্ভব নয়। প্রাকৃতিক বালিয়াড়ি পুনর্গঠনে সাগরলতা, নিশিন্দাসহ উপকূলীয় উদ্ভিদ লাগানো প্রয়োজন। বালিয়াড়ি উঁচু ও শক্তিশালী হলে তা ঢেউয়ের আঘাত থেকে সৈকতকে প্রাকৃতিকভাবে রক্ষা করতে পারে।


কক্সবাজার সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আশরাফুল হক বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও বড় ঢেউয়ের আঘাতে জিও ব্যাগের বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ভাঙনপ্রবণ এলাকায় সাময়িকভাবে বাঁশ ও কাঠের খুঁটি ব্যবহারের মতো ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। তবে স্থায়ী সমাধানের জন্য বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রয়োজন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও