ডেঙ্গু হলে কী করবেন : লক্ষণ, পরীক্ষা ও নিরাময়ের উপায়

কালের কণ্ঠ প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:১৯

বর্ষা কিংবা আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পায়। এডিস মশার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসজনিত রোগটি সঠিক সময়ে শনাক্ত ও ব্যবস্থাপনা না করলে মারাত্মক জটিলতার রূপ নিতে পারে।


ডেঙ্গু কী এবং কিভাবে ছড়ায়?


ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত সংক্রমিত এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। এই মশা সাধারণত সকালে সূর্যোদয়ের পর এবং বিকেলে সূর্যাস্তের আগে বেশি সক্রিয় থাকে। ড্রাম, ফুলের টব, টায়ার কিংবা পাত্রে জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে এরা বংশবিস্তার করে।


ডেঙ্গুর মূল লক্ষণসমূহ:


হঠাৎ তীব্র জ্বর: শরীরের তাপমাত্রা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) পর্যন্ত উঠতে পারে।


চোখে ও হাড়ে ব্যথা: চোখের পেছনে তীব্র ব্যথা এবং হাড় ও পেশিতে অসহ্য যন্ত্রণা (যে কারণে একে ব্রেকবোন ফিভার বলা হয়)।


অন্যান্য লক্ষণ: অতিরিক্ত বমি বমি ভাব, বমি হওয়া, মাথা ব্যথা এবং ত্বকে র‍্যাশ বা লালচে দাগ দেখা দেওয়া।


রক্তপাতের ঝুঁকি: পরিস্থিতি জটিল হলে নাক বা মাড়ি থেকে হালকা রক্তপাত হতে পারে, যা ডেঙ্গু হেমোরেজিক জ্বরের পূর্বলক্ষণ।


সঠিক শনাক্তকরণ ও পরীক্ষা: রোগের সঠিক অবস্থা বুঝতে চিকিৎসকরা সাধারণত তিনটি পরীক্ষার পরামর্শ দিয়ে থাকেন—


১. অ্যান্টিজেন টেস্ট: জ্বর আসার প্রথম ১ থেকে ৩ দিনের মধ্যে ডেঙ্গু ভাইরাস শনাক্তের জন্য অত্যন্ত কার্যকর।


২. সিবিসি (কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট): রক্তে প্লেটলেট (অণুচক্রিকা) এবং শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ পর্যবেক্ষণ করতে নিয়মিত এই পরীক্ষা করা হয়।


৩. অ্যান্টিবডি টেস্ট: রোগের দ্বিতীয় সপ্তাহে এটি সাম্প্রতিক বা পুরনো সংক্রমণ নির্ধারণে সাহায্য করে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও