ডেঙ্গু প্রতিরোধে কী পরামর্শ দিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, নাগরিকের কী করার আছে

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:০১

ডেঙ্গু প্রতিরোধে বড় ধরনের সদিচ্ছা দেখিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন তিনি। বিএনপি সরকারের নতুন এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। এ উদ্যোগে অতীতের কিছু পদক্ষেপ, উদ্যোগ বা পরামর্শ বর্তমান সরকারের কাজে লাগতে পারে।


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ কী ছিল


২০১৭ সালে দেশে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ দেখা দিলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দেওয়ার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের রোগতত্ত্ববিদ ড. কে কৃষ্ণমূর্তিকে ঢাকায় পাঠিয়েছিল।


ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার আগে ওই রোগতত্ত্ববিদ ২২ পৃষ্ঠার একটি পরিকল্পনা দলিল তৈরি করে দিয়ে যান। ‘মিড-টার্ম প্ল্যান ফর কন্ট্রোলিং অ্যান্ড প্রিভেন্টিং এডিস-বর্ন ডেঙ্গু অ্যান্ড চিকুনগুনিয়া ইন বাংলাদেশ (বাংলাদেশে এডিসবাহিত ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা)’ শীর্ষক এই পরিকল্পনায় দুটি উদ্দেশ্যের কথা বলা ছিল।


প্রথমত, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্তের হার কমানো। দ্বিতীয়ত, ডেঙ্গুতে মৃত্যু কমানো। ওই দলিলে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কাজের কথা ছিল:


১. ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগের সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব নির্ণয় এবং রোগপ্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি মূল্যায়ন।


২. রোগতত্ত্ববিদ, কীটতত্ত্ববিদ, অণুজীববিজ্ঞানী, তথ্য-শিক্ষা-যোগাযোগবিশেষজ্ঞ এবং গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে ‘র‍্যাপিড রেসপন্স টিম’ গঠন করা জরুরি।


৩. ১২টি মন্ত্রণালয়কে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাজের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।


২০১৯ সালের মধ্যে ওই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা ছিল। কিন্তু তখনকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ওই দলিল খুলেই দেখেননি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও