জিন সম্পাদনা: জন্মগত রোগ কি আর জন্মগত থাকবে?

প্রথম আলো কৌশিক আহমেদ প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫৯

খাদ্যসংকট মেটাতে কিংবা প্রতিকূল আবহাওয়ায় টিকে থাকার লড়াইয়ে আমরা দীর্ঘদিন ধরেই গবাদিপশু ও উদ্ভিদের জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে আসছি।


ভালো জাতের আম, অধিক ফলনশীল ধান কিংবা রোগপ্রতিরোধী সবজির নতুন জাত উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ‘জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং’ নতুন কিছু নয়।


কিন্তু যে প্রযুক্তি দিয়ে আমরা গরু-ছাগল-ফল-ফসলের ভাগ্যবদল করেছি, তা কি মানুষের অবিনশ্বর নিয়তিকেও বদলে দিতে পারে?


বিজ্ঞান বলছে, গবাদিপশু আর উদ্ভিদ নয়, মানুষ চাইলে তার নিজেরও উন্নত জাত তৈরি করতে পারে। জন্মের অমোঘ নিয়তি বলে যাকে আমরা মেনে নিতাম, জিন সম্পাদনার হাত ধরে সেই ‘অদৃষ্ট’ আজ মানুষেরই করতলগত হওয়ার অপেক্ষায়।


জন্মের সময় যে জিনগত গঠন আমরা নিয়ে আসি, সেটাই আমাদের জীবনের চূড়ান্ত সীমা নির্ধারণ করে দিত। কারও জন্মগত রোগ থাকলে সেটিকে মেনে নেওয়াই ছিল একমাত্র প্রথাগত উপায়-চিকিৎসা মানে সেখানে কেবল রোগের তীব্রতা বা লক্ষণ কমানো, জীবনটাকে কোনোমতে কিছুটা সহজ করে তোলা।


ফরাসি দার্শনিক জ্যঁ-পল সার্ত্র বলেছিলেন, মানুষ তার নিজের নিয়তি নিজেই তৈরি করে। কিন্তু জিনগত রোগের ক্ষেত্রে মানুষ জন্ম থেকেই এক অমোঘ দাসত্বে বন্দি। বিজ্ঞান এখন সেই বন্দিদশা থেকে মুক্তির গান গাইছে।


সাম্প্রতিক বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি এই সনাতন ধারণাকেই একবারে গোড়া থেকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাচ্ছে।


জিন সম্পাদনা প্রযুক্তি বা ‘জিন এডিটিং’ এখন এমন এক যুগান্তকারী পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে, যেখানে রোগের সাময়িক উপশম নয়, বরং তার মূল কারণ-ডিএনএ-র ভেতরের আদি ত্রুটিকেই সরাসরি সংশোধন করা সম্ভব হচ্ছে।


ক্রিসপার ও পরবর্তী অধ্যায়: ডিএনএ সেলাইয়ের বিজ্ঞান


আজ থেকে কয়েক বছর আগেও ক্রিসপার প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিএনএ-র নির্দিষ্ট অংশ কেটে ফেলা বা বদলে দেওয়ার ধারণাটি অনেকটা পরীক্ষাগারের চার দেয়ালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।


চিকিৎসাবিজ্ঞানের কল্পকাহিনিতে যা পড়া যেত, আজ তা ধীরে ধীরে মূলধারার চিকিৎসাবিজ্ঞানের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।


আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার এবং সায়েন্স-এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক একাধিক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, সুনির্দিষ্ট জিনগত ত্রুটি সংশোধনের মাধ্যমে কিছু বিরল ও জটিল রোগের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই মানবশরীরে আশাব্যঞ্জক ফল পাওয়া গেছে।


এই প্রযুক্তির সাম্প্রতিক বড় অগ্রগতিগুলোর একটি হলো, এখন বিজ্ঞানীরা ডিএনএর শুধু একটি বা দুটি জিন নিয়ে কাজ করছেন না; বরং ডিএনএর বড় অংশ একসঙ্গে পরিবর্তন করার চেষ্টা করছেন।


আগে কোনো জিনে ত্রুটি থাকলে বিজ্ঞানীদের মূল লক্ষ্য ছিল সেই নির্দিষ্ট জিনটি শনাক্ত করে তার ত্রুটি ঠিক করা।


এখন গবেষণার পরিধি আরও বড় হয়েছে। ডিএনএর একটি বড় অংশে একসঙ্গে পরিবর্তন এনে কীভাবে ত্রুটিপূর্ণ জিনের সমস্যা ঠিক করা যায় বা কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য তৈরি করা যায়, বিজ্ঞানীরা এখন সেই পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও