You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বাংলাদেশের পোশাকশিল্প ও তুলার ভবিষ্যৎ

সকালের ব্যস্ত বন্দরে একের পর এক কনটেইনার নামছে। কোথাও তুলার বেল, কোথাও সুতা, কোথাও কাপড়ের কাঁচামাল। কয়েক হাজার মাইল দূরের কোনো দেশের মাঠে যে তুলার গাছ বেড়ে উঠেছিল, তার আঁশ পাড়ি দিয়ে সমুদ্র অতিক্রম করে এসেছে বাংলাদেশে। তারপর সেই তুলা যাবে সুতা কারখানায়, সুতা যাবে কাপড় তৈরির কারখানায়, কাপড় যাবে পোশাক কারখানায়। শেষে সেই পোশাক কোনো এক ইউরোপীয় বা আমেরিকান শহরের দোকানের তাক থেকে একজন ভোক্তা কিনবেন।

এই দীর্ঘ যাত্রার শেষ প্রান্তে বাংলাদেশ হয়তো বিশ্বের অন্যতম বড় পোশাক রপ্তানিকারক। কিন্তু শুরুটা কোথায়? সেখানে আমাদের অবস্থান বেশ দুর্বল। কারণ পোশাকশিল্পের প্রাণভোমরা তুলার প্রায় পুরোটাই আমাদের আমদানি করতে হয়।

৭ অক্টোবর বিশ্ব তুলা দিবস। জাতিসংঘ ২০২১ সালে ৭ অক্টোবরকে বিশ্ব তুলা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। দিনটির উদ্দেশ্য কেবল তুলার গুরুত্ব স্মরণ করা নয়; তুলা উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিপণন ও ভোগের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের জীবিকা, টেকসই উৎপাদন এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য তুলার মূল্যশৃঙ্খলে বেশি সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়টিও সামনে আনা।

বাংলাদেশের জন্য এই দিবসটির তাৎপর্য অন্যদের চেয়ে আলাদা। আমরা বড় তুলা উৎপাদক নই; কিন্তু তুলার ওপর দাঁড়িয়ে গড়ে উঠেছে আমাদের বিশাল পোশাক ও বস্ত্রশিল্প। অর্থাৎ তুলার মাঠ আমাদের দেশে না থাকলেও তুলার অর্থনীতি আমাদের ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে।

বাংলাদেশের রপ্তানি অর্থনীতিতে পোশাকশিল্পের গুরুত্ব কতটা, তা কয়েকটি সংখ্যাই বলে দেয়। বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৩৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের। একই সময়ে মোট পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ দেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮১ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাক থেকে।

এই বিশাল শিল্পের কাঁচামাল যদি কোনো একটি বৈশ্বিক বাজারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়, তাহলে সেখানে অর্থনৈতিক ঝুঁকিও কম নয়। বাংলাদেশে রপ্তানি ও অভ্যন্তরীণ পোশাক উৎপাদনে ব্যবহৃত তুলার প্রায় ৯৯ শতাংশই আমদানি করা হয়। ২০২৪ সালে দেশে ৮৩ দশমিক ২১ লাখ বেল তুলা আমদানি হয়েছিল। ২০২৫ সালে আমদানি নেমে আসে প্রায় ৭৮ দশমিক ২ লাখ বেলে—এক বছরে প্রায় ৬ দশমিক ১ শতাংশ কম। এর পেছনে বৈশ্বিক পোশাকের চাহিদা দুর্বল হওয়ার বিষয়টিও কাজ করেছে।

এখানেই বাংলাদেশের সামনে একটি মৌলিক প্রশ্ন: আমরা কি শুধু তুলা আমদানি করে পোশাক বানিয়ে যাব, নাকি তুলাকে ঘিরে আরও শক্তিশালী, বৈচিত্র্যময় ও প্রযুক্তিনির্ভর মূল্যশৃঙ্খলা তৈরি করব?

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন