সংসদ অধিবেশন: উত্তাপ ও অচলাবস্থায় ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৭

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষ হয়েছে ৯ কার্যদিবসে। সময়ের হিসাবে সংক্ষিপ্ত হলেও এই অধিবেশন ছিল উত্তেজনায় ভরা। প্রায় প্রতিটি কার্যদিবসে সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে দফায় দফায় হয়েছে তীব্র বিতর্ক। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানে একাধিকবার সংসদে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি একমাত্র স্বতন্ত্র নারী সংসদ সদস্যকে লক্ষ্য করে অত্যন্ত আপত্তিকর ও অশালীন কটূক্তির ঘটনাও ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে স্পিকারের আসন থেকে সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করা হয়েছে।


সংসদবিষয়ক গবেষক অধ্যাপক আল মাসুদ হাসানুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, এই অধিবেশনে দুই পক্ষের মধ্যে একটা মেরুকরণ দেখতে পেয়েছি, যা সংসদীয় রাজনীতির জন্য খুব বেশি সংগতিপূর্ণ নয়। তৃতীয় অধিবেশন থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, ভবিষ্যৎ অধিবেশনগুলোতেও এ বিরোধিতা থাকবে। এতে দেশের প্রধান ইস্যুগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা ও তর্ক সুষ্ঠুভাবে হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।’

সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার এই অধিবেশন শুরু হয় ২৭ আগস্ট। চার দিনের সাপ্তাহিক ছুটি ও দুই দিনের বিরতি মিলিয়ে ১০ সেপ্টেম্বর শেষ হয় অধিবেশন। এতে ছয়টি বিল পাস হয়। এর বাইরে গ্যাস ও বিদ্যুৎ-সংকট, সার সরবরাহ ব্যবস্থাপনা এবং বিদেশে পলাতক পুলিশের সাবেক আইজি বেনজীর আহমদকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সংসদে সাধারণ আলোচনা হয়।

প্রথম দিনই উত্তেজনা


অধিবেশন শুরুর দিনই উত্তপ্ত হয়, প্রশ্নোত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বক্তব্য ঘিরে। বিরোধী দলের দুই সদস্যের প্রশ্নকে তিনি শাহবাগ স্কয়ার ও পল্টনের বক্তৃতার সঙ্গে তুলনা করেন। বিরোধী দলের সদস্যরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। একপর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পিকারের কাছে আশ্রয় চান এবং পরে তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার করেন। তাতেও পরিস্থিতি শান্ত না হওয়ায় প্রায় ১০ মিনিট সংসদের কার্যক্রমে অচলাবস্থা তৈরি হয়।


বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিরোধী দলকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার অভিযোগ তুলে ঘটনাটিকে ‘সংসদীয় ফ্যাসিবাদ’ বলে আখ্যা দেন।


স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যেভাবে একে অন্যকে কথা বলার ক্ষেত্রে বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টা লক্ষ করেছি, তা সংসদের জন্য কোনো ভালো লক্ষণ নয়। আমি কিন্তু সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছুটা চিন্তিত।’


দ্বিতীয় কার্যদিবসে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল উত্থাপনের প্রতিবাদে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে বিরোধী দল। তাদের অভিযোগ, সরকার সংস্কারের নামে আংশিক পরিবর্তন করে সংসদকে একতরফাভাবে পরিচালনা করছে। পরে বিল দুটি পাসের দিনও এবং সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটির বৈঠক থেকেও ওয়াকআউট করে তারা। বিল দুটি পাসের প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলের সদস্যরা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও