You have reached your daily news limit

Please log in to continue


জাকসুর ৪৬ প্রতিশ্রুতির ১৩টির বাস্তবায়ন, বিতর্কে নেতারা

দীর্ঘ ৩৩ বছর পর জাকসু নির্বাচন ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, এক বছর পর এসে তা অনেকটাই ম্লান। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দেওয়া ইশতেহারের বেশির ভাগই বাস্তবায়ন হয়নি। জাকসু নেতাদের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড এবং নির্বাচনের পর দলীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাঁদের সম্পৃক্ততা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) নির্বাচিত সদস্যদের এক বছর মেয়াদ পূর্ণ হবে ১৮ সেপ্টেম্বর। গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ২৫টি পদের মধ্যে ২০টিতে জয় পায় ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল। বাকি পাঁচটি পদের মধ্যে দুটি পদে জাতীয় ছাত্রশক্তি, দুটি স্বতন্ত্র এবং সহসভাপতি (ভিপি) পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রশিদ জিতু জয়ী হন। আওয়ামী লীগের শেষ সময়েও তিনি ছাত্রলীগ নেতা ছিলেন। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকালে সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। ভিপি নির্বাচিত হওয়ার পর জিতু বিএনপিতে যোগ দেন।

প্রতিশ্রুতির আংশিক বাস্তবায়ন

জাকসু নির্বাচনে পাঁচটি পূর্ণাঙ্গ ও তিনটি আংশিক প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ২৫টি পদের মধ্যে ২০টিতে জয়ী হওয়া সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট ৯ দফা ইশতেহার দিয়েছিল। এতে ক্যাম্পাস-সংশ্লিষ্ট ৪৬টি বিষয়ের প্রতিশ্রুতি ছিল। এর মধ্যে ১৩টি বাস্তবায়িত হয়েছে আর ৩০টি বাস্তবায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে এবং দুটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের উদ্যোগই নেওয়া হয়নি। বাকি একটি প্রতিশ্রুতি স্বাস্থ্যবিমা আগেই চালু হয়েছে। যে ৩০টি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে, সেগুলো মূলত কমিটি গঠন ও কমিটির সুপারিশ সিন্ডিকেটে উত্থাপনের অপেক্ষা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। আর কোনো কোনো প্রতিশ্রুতি একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে আলোচনায় রয়েছে।

শিবির-সমর্থিত প্যানেলের যেসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি সেগুলো হলো শিক্ষার্থী কল্যাণ তহবিল গঠন, সম্পূরক বৃত্তির পরিমাণ বৃদ্ধি, সেশনজট নিরসন ও শিক্ষা ক্যালেন্ডার বাস্তবায়ন, শিক্ষক মূল্যায়ন, গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধি, গবেষণা সফটওয়্যার সরবরাহ এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি। তবে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির ক্ষেত্রে ভাষা প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কর্মশালা হয়েছে। এ ছাড়া প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় প্রতিবেশগত মহাপরিকল্পনা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও রিসাইক্লিং জোরদারের প্রতিশ্রুতিও পূরণ হয়নি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন