আরও হার্ডলাইনে বিএনপি
দলে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অতীতেও অনেকের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এবারের শুদ্ধি অভিযানের ‘লাইন অব অ্যাকশন’ আরও কঠোর। কে কোন দায়িত্বে বা কত গুরুত্বপূর্ণ পদে আছেন, সেটি দেখা হবে না। কেউ শাস্তিযোগ্য অপরাধ কিংবা দলের ভাবমূর্তির ক্ষুণ্ন হয়-এমন কাজ করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে দেশবাসী তা প্রত্যক্ষ করেছে। বুধবার রাতে ঢাকা মহানগর উত্তরের হাইপ্রোফাইল কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়। এরপর রাত পোহাতেও খবর আসে পদত্যাগপত্র নিয়ে সংসদের পথে ছুটছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ-সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। দুপুরে যখন এ খবর গণমাধ্যমে আসে, তখন তা মুহূর্তেই টক অব দ্য কান্ট্রিতে রূপ নেয়।
দলীয় শৃঙ্খলাসহ সরকার ও দলের ভাবমূর্তি সুরক্ষার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এমন কঠোর সিদ্ধান্তে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ায় নড়েচড়ে বসেন সংগঠনটির লাখ লাখ নেতাকর্মী। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে থাকেন তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা। অপরদিকে সাধারণ মানুষের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় প্রশংসায় ভাসতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী।
এদিকে দলের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র যুগান্তরকে জানায়, চাঁদা, দখলবাজিসহ সব ধরনের ‘বাজিকর’দের বিরুদ্ধে শক্ত হাতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনিয়ম, দুর্নীতি, অনৈতিক কর্মকাণ্ড ছাড়াও যে কোনো অপরাধে জড়িয়ে পড়লে তিনি কোন পদে আছেন, সেটি দেখা হবে না। বরং তার অপরাধের বিষয়টি প্রাধান্য দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন।