You have reached your daily news limit

Please log in to continue


প্রবাসী আয়নির্ভর অর্থনীতি: আশীর্বাদ, নাকি অদৃশ্য ঝুঁকির সংকেত?

ঈদের আগের রাত। গ্রামের একটি ছোট্ট বাড়িতে নতুন রঙের গন্ধ। উঠানে রাখা নতুন মোটরসাইকেল, মায়ের হাতে সোনার চুড়ি, ছেলের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফি জমা হয়েছে। বাড়ির কর্তা সেখানে নেই। তিনি কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরে, সৌদি আরবের কোনো নির্মাণস্থলে কিংবা মালয়েশিয়ার কোনো কারখানায় রাতের শিফটে কাজ করছেন। তাঁর ঘাম শুকিয়ে যাওয়ার আগেই ব্যাংকের একটি বার্তা জানিয়ে দেয়—দেশে টাকা পৌঁছে গেছে। বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে মানবিক গল্পগুলোর একটি শুরু হয় ঠিক এভাবেই।

প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ শুধু একটি পরিবারের আয় নয়; এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। রপ্তানি আয়ের পাশাপাশি রেমিট্যান্সই বৈদেশিক মুদ্রার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎসগুলোর একটি। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ রেমিট্যান্স গ্রহণকারী দেশের কাতারে রয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, কোভিড-পরবর্তী সংকট কিংবা ডলারের চাপের সময়ও এই অর্থ দেশের অর্থনীতিকে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিয়েছে। কিন্তু এখানেই একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে আসে—একটি দেশের অর্থনীতি কতটা নিরাপদ, যদি তার স্থিতিশীলতা বহুলাংশে বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের আয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে?

বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকাংশই নিম্ন ও মধ্যম দক্ষতার পেশায় নিয়োজিত। নির্মাণ, গৃহপরিচর্যা, কৃষি কিংবা স্বল্প মজুরির শিল্পখাতে তাঁদের কর্মসংস্থান বেশি। ফলে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে সামান্য পরিবর্তন, ভিসানীতির কড়াকড়ি, তেলের দামের পতন বা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা সরাসরি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। অর্থাৎ রেমিট্যান্স আমাদের শক্তি, আবার একই সঙ্গে এটি একটি কৌশলগত ঝুঁকিও।

অর্থনীতির আরেকটি বাস্তবতা হলো, রেমিট্যান্সের বড় অংশ ভোগব্যয়ে ব্যবহৃত হয়। নতুন বাড়ি নির্মাণ, জমি কেনা কিংবা দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে এই অর্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও উৎপাদনশীল বিনিয়োগের হার এখনো সন্তোষজনক নয়। অথচ এই অর্থের একটি অংশ যদি ক্ষুদ্র শিল্প, কৃষি-প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ কিংবা স্টার্টআপে বিনিয়োগ হতো, তাহলে তা কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও টেকসই করতে পারত।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন