পুষ্টিকর খাদ্যের অপ্রাপ্তিতে কমছে উৎপাদনশীলতা
জাতিসংঘের ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশনসহ (এফএও) কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থার যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিশ্বের খাদ্য পরিস্থিতির একটি ভয়াবহ দিক ফুটে উঠেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ‘দ্য স্টেট অব ফুড অ্যান্ড নিউট্রেশন ইন দ্য ওয়ার্ল্ড, ২০২৬’ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তা রীতিমতো উদ্বেগজনক।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সময়ে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে গেলেও খাদ্য নিরাপত্তা এবং নিরাপদ খাদ্য জোগান নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে দেশটির ব্যর্থতা চোখে পড়ার মতো। বিশ্বের মোট ৮৬টি দেশের খাদ্য পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সর্বশেষ পরিসংখ্যান মোতাবেক বাংলাদেশের জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ৫০১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কিছু বেশি। ২০৩৪ সালের মধ্যে জিডিপির আকার এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার জন্য সরকার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। অর্থাৎ আগামী ৮ বছরের মধ্যে জিডিপির বর্তমান আকার দ্বিগুণ করতে হবে। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য প্রতিবছর গড়ে ৮ থেকে ৯ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং প্রাইভেট সেক্টরে বছরে ১০ বিলিয়ন ডলারের সমতুল্য বিনিয়োগ আহরণ করতে হবে। এটি অত্যন্ত কঠিন একটি চ্যালেঞ্জ।
- ট্যাগ:
- মতামত
- পুষ্টিকর খাবার
- পুষ্টিকর খাদ্য