সংস্কারের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের জেটি
দীর্ঘ ২২ বছরেও সংস্কার না করায় চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের পর্যটন জেটিটি। ধসে পড়ছে জেটির রেলিংসহ বিভিন্ন অংশ। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কার পাশাপাশি বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়েছেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পর্যটক ও দ্বীপবাসী।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জানায়, ২০০৪ সালে দুই কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫৫০ মিটার দীর্ঘ এই জেটিটি নির্মাণ করা হয়। সেন্ট মার্টিনে নৌযান চলাচল ও মিয়ানমারের পশু করিডোর সুবিধা বাড়াতে এটি নির্মিত হয়েছিল।
জেটিতে বিশ্রামাগার, শৌচাগার ও চারটি সিঁড়ি রয়েছে। এ ছাড়া জেটি ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে জেটিটির পাশে রাখা হয়েছে গাড়ি পার্কিং স্পট। ২০০৪ সালে জেটিটি কক্সবাজার জেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং ২০০৬ সালে তা চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
সম্প্রতি ঘাট এলাকায় গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, হাজার একরের সাবরাং ট্যুরিজম পার্কের নিচু জমি ভরাটের জন্য নাফ নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে বিপুল পরিমাণ বালু উত্তোলন করেছিল একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। নদীর তলদেশ থেকে বালু তোলার কারণে জেটির খুঁটির আশপাশ দেবে গিয়ে রেলিংসহ বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ছে।