বগুড়া পুলিশে বিল জালিয়াতি: আত্মসাৎ ৩ কোটি, তদন্তে ৩০ পুলিশ সদস্যের নাম

www.ajkerpatrika.com বগুড়া জেলা প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৪

বগুড়া জেলা পুলিশের বিভিন্ন বিল-ভাউচারে জালিয়াতির নতুন তথ্য সামনে এসেছে। এই জালিয়াতির ঘটনায় গঠন করা তদন্ত কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া টিএ বিল তৈরি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের পরিমাণ ইতিমধ্যে তিন কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এ ঘটনায় বগুড়া জেলা পুলিশের সাবেক ও বর্তমান কর্মরত প্রায় ৩০ সদস্যের নাম তদন্তে এসেছে। তাঁদের মধ্যে ২০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।


সূত্র জানিয়েছে, মাসের পর মাস সরকারি দায়িত্ব পালন করেও ভ্রমণ ভাতা (টিএ) পাচ্ছিলেন না বগুড়া জেলা পুলিশের অনেক সদস্য। অথচ এ খাতে বরাদ্দ আসছিল নিয়মিত, দ্রুতই শেষও হয়ে যাচ্ছিল সেই অর্থ। এ নিয়ে পুলিশের ভেতরে ছিল অসন্তোষ ও সন্দেহ। শেষ পর্যন্ত পুলিশ সুপারের কম্পিউটার আইডি অন্য কেউ ব্যবহার করার ঘটনা ধরা পড়ার পর অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে টিএ বিল জালিয়াতির তথ্য।

যেভাবে ধরা পড়ে জালিয়াতি


বগুড়ার পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদের ভাষ্য, গত ১৯ আগস্ট সকালে দাপ্তরিক কাজ করার সময় তিনি দেখতে পান, তাঁর কম্পিউটার আইডিতে অস্বাভাবিকতা রয়েছে। ধারণা হয়, অন্য কেউ তাঁর আইডি ব্যবহার করেছে। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাকে জানান।


পুলিশ সূত্র জানায়, ওই দিন বিকেলে আইডির নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার পর শুরু হয় অনুসন্ধান। তখন দেখা যায়, পুলিশ সুপারের আইডি ব্যবহার করে বিভিন্ন পুলিশ সদস্যের নামে টিএ বিল তৈরি করে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তখনই পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের অফিস সহকারী রাজিবুল ইসলাম ও হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের অডিটর ফিরোজ আলমের নাম সামনে আসে। পরে জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত আরও ছয় সদস্যের ব্যাংক হিসাব যাচাই করে অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায়। এরপরই তদন্তের পরিধি বাড়তে থাকে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও