কার্ল মার্কসের দর্শন-মেহনতি মানুষের মুক্তির পথ

যুগান্তর ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী প্রকাশিত: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৫

দার্শনিক কার্ল মার্কস মেহনতি মানুষের মুক্তির পথনির্দেশনা দিয়েছিলেন বলেই তিনি আজ এত আলোচিত ও সমালোচিত।


জার্মান সমাজবিজ্ঞানী কার্ল মার্কস ১৮১৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একাধারে দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ ও সমাজবিজ্ঞানী। তিনি বহু গ্রন্থ রচনা করেছেন। তবে এগুলোর মধ্যে তার Capital (1867) গ্রন্থটি সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য। তিনি তার কর্মজীবনের অধিকাংশ সময় প্যারিস ও লন্ডন শহরে অতিবাহিত করেন। লন্ডনের ব্রিটিশ মিউজিয়ামে তিনি দীর্ঘদিন গবেষণায় রত ছিলেন। মার্কস ও এঙ্গেলস রচিত আরেকটি ছোট পুস্তিকা Communist Manifesto (1848) সমধিক প্রসিদ্ধ ও আলোচিত, যা আন্দোলিত করেছে সমগ্র বিশ্বকে। আজকের পৃথিবীতে মার্কসীয় তত্ত্ব অনুসারীর সংখ্যা অগণিত।


মার্কসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হলো ‘ক্যাপিটাল’। এ গ্রন্থে মার্কসের সমাজবাদী অর্থনৈতিক চিন্তাধারার মৌলিক বিষয়গুলোর উল্লেখ রয়েছে। এখানে পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থা, পুঁজিবাদী উৎপাদনব্যবস্থা এবং তার সম্ভাব্য পরিণতি সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে। এ গ্রন্থে পুঁজিবাদের বিকাশের ধারা এবং পুঁজিবাদী শোষণের চিত্র তুলে ধরা হয় এবং তার অবশ্যম্ভাবী পরিণতির কথা উল্লেখ করা হয়। পুঁজিবাদী সমাজের সমাজতান্ত্রিক সমাজে যুগান্তরের অনিবার্যতার কথাও এ গ্রন্থের একটি প্রধান উপজীব্য বিষয়। ‘ক্যাপিটাল’ মূলত অর্থনীতির গ্রন্থ হলেও এতে মার্কসের দার্শনিক চিন্তাধারাও স্থান পেয়েছে। মার্কসের দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ তত্ত্বের বিশ্লেষণও এখানে রয়েছে। মার্কস প্রথম জীবনে হেগেলের ভাববাদী দর্শন দ্বারা প্রভাবিত হলেও পরে তিনি হেগেলীয় দর্শনের ভাববাদী প্রভাব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হন। তারপর তিনি জার্মান বস্তুবাদী দার্শনিক ফয়ারবাখ দ্বারা প্রভাবিত হন এবং ক্রমশ একজন বস্তুবাদী দার্শনিক হিসাবে আবির্ভূত হন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও