You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ঢাকায় চার কৌশলে ছিনতাই হচ্ছে, হিসাব নেই, বিচারও নেই

চোখের চিকিৎসা করাতে বগুড়া থেকে ঢাকায় এসে ২৯ আগস্ট ভোরে ছিনতাইকারীর ব্যাগের টানে রিকশা থেকে পড়ে মারা যান শিক্ষক রনজিলা পারভিন। পাঁচ মাস আগে উত্তরায় মুক্তা আক্তার এবং জুনে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে সোহেলি ইসলামও একই কৌশলে ছিনতাইয়ের শিকার হয়ে প্রাণ হারান।

গত ছয় মাসে ঢাকায় চলন্ত রিকশা বা অটোরিকশা থেকে ব্যাগ টান দেওয়ার ঘটনায় এই তিন নারীর মৃত্যু হয়েছে। তিনটি ঘটনাতেই তাঁরা ছিলেন চলন্ত যানে আর ছিনতাইকারীরা পাশ বা পেছন থেকে ব্যাগ ধরে টেনে ফেলে দেয়।

রাজধানীতে ছিনতাইকারীদের হাতে এই তিনটি মৃত্যু বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। বিভিন্ন সড়কে, মোড়ে এবং ব্যস্ত এলাকায় একের পর এক এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। মৃত্যু কিংবা অঙ্গহানির মতো ঘটনার বিষয়গুলো সামনে এলেও অধিকাংশ ছিনতাইয়ের ঘটনা আড়ালে থাকছে। পুলিশ ছিনতাইয়ের ঘটনাগুলোতে দস্যুতা ও ডাকাতির মামলা নেয়। গত ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত রাজধানীতে দস্যুতার মামলা হয়েছে ১৪৯টি। আর ডাকাতির মামলা মাত্র ১৮। তবে প্রকৃত ছিনতাই কতটি হচ্ছে—তার উত্তর পুলিশের মামলার হিসাব থেকে পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ, ভুক্তভোগীদের বড় অংশই মামলা করতে যায় না। আবার থানায় গেলেও মামলা না নিয়ে সাধারণ ডায়েরি বা জিডি নেওয়া হচ্ছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন