শরতে পরিমিত ফ্যাশন
‘শরৎ তোমার অরুণ আলোর অঞ্জলি,
ছড়িয়ে দিল আকাশে আকাশে।’
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার এই লাইনের মতোই শরৎ আসে আলো আর স্বচ্ছতার আবহ নিয়ে।
বর্ষার মেঘলা দিন পেরিয়ে আকাশ যখন নীল হয়ে ওঠে, সাদা মেঘ ভেসে বেড়ায়, কাশফুলে শুভ্র হয় মাঠ, তখন পোশাকেও একটু হালকা আমেজ মানিয়ে যায় অর্থাৎ সরলতায়, পরিমিত ফ্যাশনই হয় শরতের রূপ।
তবে শরতের পোশাক শুধু সাদা শাড়ি বা নীলে আটকে নেই। বরং ঋতুর আবহকে নিজের ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়াই হতে পারে সুন্দর পছন্দ।
শরতের পোশাক হালকাই ভালো
শরৎ এলেও আবহাওয়া পুরোপুরি ঠান্ডা হয়ে যায় না। সকাল ও সন্ধ্যায় স্বস্তি থাকলেও দুপুরে রোদ বেশ তীব্র হতে পারে। তাই পোশাক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কাপড়ের আরামই মূল চাহিদা হতে পারে।
“সেক্ষেত্রে সুতি, খাদি, তাঁত কিংবা পাতলা ও বাতাস চলাচল করতে পারে এমন কাপড় শরতের জন্য বেশ উপযোগী”, বলেন ফ্যাশন বিশেষজ্ঞ ও বিবিয়ানার প্রধান লিপি খন্দকার।
শাড়ি পরতে চাইলে হালকা তাঁতের বা সুতি শাড়িই মানানসই হবে। আর শাড়ি না চাইলে কুর্তি, সালোয়ার-কামিজ, লম্বা জামা, কাফতান কিংবা ঢিলেঢালা পোশাক তো আছেই।
“অর্থাৎ শরতের ফ্যাশনে পোশাক যেন শরীরের ওপর বাড়তি ভার হয়ে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখাই মূল কথা”, বলেন তিনি।