রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নেই আলো তবুও ফেরার স্বপ্ন

যুগান্তর প্রকাশিত: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫৮

৯ বছর আগে ২৫ আগস্ট মিয়ানমারে নিপীড়নের মুখে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ঢল নামে সীমান্ত অভিমুখে। কয়েক দিনে সাত লাখের বেশি উদ্বাস্তুর ঠাঁই হয় বাংলাদেশের কক্সবাজারের শরণার্থীশিবিরে। তখন থেকেই তাদের প্রত্যাবাসনে তোড়জোড় শুরু হলেও সেই প্রক্রিয়া এতদিনেও আলোর মুখ দেখেনি। সময়ের সঙ্গে বদলেছে রাখাইনের পরিস্থিতি, পালটেছে সব হিসাব-নিকাশ। যুদ্ধ, নিরাপত্তাহীনতা ও নাগরিকত্বের সংকটে ঘরে ফেরার সব পথ এখনো বন্ধ। তবু নিজেদের ঘর, ভূমি ও পরিচয়ে ফেরার স্বপ্ন দেখছেন বাস্তুচ্যুতদের বড় একটি অংশ। সামনে প্রশ্ন- ফিরলেও নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব, জমি-বাড়ি ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হবে তো?


২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন থেকে পরিবারের চার সদস্যকে নিয়ে উখিয়ার কুতুপালংয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন রোহিঙ্গা যুবক মোহাম্মদ আরিফুল্লাহ। তিনি বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হাত থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে আট দিন হাঁটার পর এ দেশে এসেছিলাম। তখনকার কথা মনে পড়লে এখনো কান্না পায়। কিন্তু সেটা আমার দেশ। সেখানে আবার ফিরে যেতে চাই। শুধু আরিফুল্লাহ নন, দীর্ঘ শরণার্থীজীবনের পরও অনেক রোহিঙ্গার স্বপ্ন নিজ দেশে ফেরা। তবে রাখাইনের বর্তমান পরিস্থিতি সেই পথকে আরও কঠিন করে তুলেছে।


যুদ্ধই বড় বাধা : রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এখন বড় বাধা রাখাইনের যুদ্ধ। মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির সংঘাতের কারণে অঞ্চলটি এখনো অস্থিতিশীল। ওই রাজ্যের বড় একটি অংশ বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির নিয়ন্ত্রণে যাওয়ায় প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও