You have reached your daily news limit

Please log in to continue


জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্যনিরাপত্তার প্রশ্ন

এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে সুনামগঞ্জের হাওরে যখন কৃষক ধান কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখনই উজান থেকে নেমে আসা ঢল আর টানা বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জ ও এর আশপাশের প্রায় ৪৬ হাজার হেক্টর বোরো জমি তলিয়ে যায়। জাতীয় চাল উৎপাদনে প্রায় ২ লাখ মেট্রিক টন ঘাটতির শঙ্কা তৈরি হয় সে সময়ই। এই একটা ঘটনা বিচ্ছিন্ন মনে হতে পারে, কিন্তু জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি যৌথভাবে প্রকাশিত ২০২৬ সালের ‘গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস’-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে প্রায় ১ দশমিক ৬ কোটি মানুষ সংকটকালীন বা তার চেয়ে খারাপ পর্যায়ের খাদ্য অনিরাপত্তায় ছিলেন। দুর্ভিক্ষ নেই, বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ খাদ্যসংকটের দেশগুলোর তালিকাতেও বাংলাদেশ নেই। তবু উচ্চ মাত্রার তীব্র খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় থাকা মানুষের সংখ্যায় বিশ্বের শীর্ষ দশ।

এই সংখ্যাটা প্রথম দেখাতে যতটা উদ্বেগজনক মনে হয়, এর পেছনের প্রেক্ষাপট আরও বৃহৎ। সেই প্রতিবেদন মতে, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে, ৭৬ লাখ মানুষ তালিকা থেকে বেরিয়ে এসেছেন। এই উন্নতির পেছনে বড় দুর্যোগের অনুপস্থিতি, খাদ্য মূল্যস্ফীতির কিছুটা হ্রাস আর রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির অবদান আছে। তবে তুলনামূলক ভালো একটা বছরেও, যে বছরে বড় কোনো দুর্যোগ আঘাত হানেনি, বাংলাদেশ তবু বিশ্বের শীর্ষ দশে রয়ে গেছে। তার মানে সমস্যাটা শুধু আকস্মিক বন্যা বা ঘূর্ণিঝড়ের না, এর শিকড় অনেক গভীরে, আয়ের অস্থিরতা, ক্রয়ক্ষমতার দুর্বলতা আর জলবায়ুর সঙ্গে সম্পর্কিত কাঠামোগত ঝুঁকির মধ্যে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন