ভাইরাল ‘ভ্যাম্পায়ার ফেশিয়াল’ কীভাবে করা হয়? জেনে নিন এর উপকারিতা

www.ajkerpatrika.com প্রকাশিত: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৫

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারকাদের ত্বকের যত্ন নিয়ে নতুন নতুন পদ্ধতি প্রায়ই আলোচনায় আসে। এর মধ্যে ‘ভ্যাম্পায়ার ফেশিয়াল’ নামটি বেশ কৌতূহল তৈরি করেছে। নাম শুনেই বুঝতে পারছেন, ত্বকের এই যত্নে ব্যবহার করা হয় রক্ত। ত্বকের যত্ন বলার চেয়ে একে চিকিৎসাপদ্ধতি বলাই বেশি মানানসই। বিশেষ করে ত্বকের উজ্জ্বলতা, ব্রণের দাগ, ত্বকের অসমান রং এবং বয়সের ছাপ কমানোর জন্য এটি খুব ভালো কাজ করে বলে জানা যায়। ভ্যাম্পায়ার ফেশিয়াল আসলে কী? কীভাবে করা হয়? এর উপকারিতাই-বা কতটা? এসব প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলে চিকিৎসাটি কাদের উপযোগী তা বোঝা সহজ হবে।


ভ্যাম্পায়ার ফেশিয়াল কী


ভ্যাম্পায়ার ফেশিয়ালে দুটি পদ্ধতির সমন্বয় করা হয় মাইক্রোনিডলিং এবং প্লাটিলেটসমৃদ্ধ প্লাজমা বা পিআরপি থেরাপি। মাইক্রোনিডলিংয়ের মাধ্যমে ত্বকে খুব সূক্ষ্ম ছোট ছোট ছিদ্র তৈরি করা হয়। এর ফলে ত্বকের স্বাভাবিক নিরাময় প্রক্রিয়া সক্রিয় হয় এবং নতুন কোলাজেন ও ইলাস্টিন তৈরিতে উদ্দীপনা সৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে, পিআরপি তৈরি করা হয় রোগীর নিজের রক্ত থেকে। রক্তের একটি অংশ আলাদা করে তাতে থাকা প্লাটিলেটসমৃদ্ধ প্লাজমা ব্যবহার করা হয়। এই প্লাজমায় বিভিন্ন বৃদ্ধিকারী উপাদান থাকে, যা ত্বকের মেরামত ও পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখতে পারে। এই দুই পদ্ধতির সমন্বয় থেকে জনপ্রিয় হয়েছে ভ্যাম্পায়ার ফেশিয়াল নামটি।


যে কারণে এর নাম ভ্যাম্পায়ার ফেশিয়াল


নামটির পেছনে মূল কারণ হলো, এই চিকিৎসায় রোগীর নিজের রক্ত থেকে তৈরি পিআরপি ব্যবহার করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই চিকিৎসার কিছু ছবিতে মুখে রক্তের মতো লাল উপাদান দেখা যায়। সেখান থেকেই ভ্যাম্পায়ার ফেশিয়াল নামটি মানুষের মধ্যে আরও জনপ্রিয় হয়েছে। তবে এটি কোনো রক্তের ফেশিয়াল নয়। এখানে নিজের রক্ত থেকে নির্দিষ্ট অংশ আলাদা করে চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও