যুদ্ধের মধ্যে জ্যেষ্ঠ সহযোগী ইরিনাকে কেন বরখাস্ত করলেন জেলেনস্কি
নতুন করে দুর্নীতির তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তাঁর একজন জ্যেষ্ঠ সহযোগীকে বরখাস্ত করেছেন। এর এক দিন আগেই ইউক্রেনের সাবেক একজন প্রতিরক্ষামন্ত্রী সতর্ক করে বলেছিলেন, দেশটি ‘শাসনব্যবস্থার সংকটের’ মুখোমুখি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ইউক্রেনে যুদ্ধকালীন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজন করা প্রয়োজন।
বরখাস্ত হওয়া ব্যক্তির নাম ইরিনা মুডরা। তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ পদে ছিলেন। অর্থ পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে ইউক্রেনের তদন্ত কর্মকর্তারা ইরিনার বাসায় তল্লাশি চালাচ্ছেন—দেশটির সংবাদমাধ্যমে একের পর এক এমন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডিক্রি জারি করে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
তবে ইরিনাকে বরখাস্ত করার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো কারণ জানানো হয়নি। এর আগে মঙ্গলবার রাতে সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ এক ভিডিও ভাষণে ইউক্রেনে যুদ্ধকালীন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের দাবি তোলেন। এমন অপ্রত্যাশিত দাবি জানানোর পরও দেশটির প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি স্বাভাবিকভাবে তাঁর কাজ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
জেলেনস্কি তাঁর প্রকাশ্য বিবৃতিতে পদচ্যুত মন্ত্রী ফেদোরভের অভিযোগ ও দাবির বিষয়ে মুখ খোলেননি। যদিও ফেদোরভের উত্তরসূরি হিসেবে উয়েভহেন খমারাকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পদে নিশ্চিত করতে ভোট দেওয়ায় ইউক্রেনের পার্লামেন্ট সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন জেলেনস্কি।