You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বিউটি রানীর ঘটনা যে জরুরি প্রশ্ন হাজির করল

একটা অস্বস্তিকর প্রশ্ন দিয়ে শুরু করা যাক। সমাজ কি নৈতিক প্রত্যাশা সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ করে? নাকি পেশা, লিঙ্গ ও সামাজিক পরিচয়ের ভিত্তিতে অসমভাবে বণ্টিত হয়?

সম্প্রতি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের পিটাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিউটি রানী পালের ঘটনা ঘিরে যে ব্যাপক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে, তা শুধু সামাজিক সংহতির প্রকাশ নয়, এটি আবেগ, মর্যাদা এবং সামাজিক স্বীকৃতির রাজনীতিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।

নারীবাদী দার্শনিক সারা আহমেদ বলেছিলেন, আবেগ কখনোই শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়, বরং ক্ষমতার সম্পর্ক গঠন ও পুনর্গঠনের একটি কার্যকর রাজনৈতিক শক্তিও বটে। ক্ষোভ, লজ্জা, ঘৃণা কিংবা অপমানের মতো আবেগ নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর শরীরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তাদের সম্পর্কে একটি স্থায়ী সামাজিক ধারণা তৈরি করে। ফলে কোনো ব্যক্তির একটি কাজকে ঘিরে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়, তা প্রায়ই সেই কাজের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে। কারণ, সেই প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সমাজ নির্ধারণ করে—কোন ধরনের মানুষ গ্রহণযোগ্য, আর কাকে নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন