You have reached your daily news limit

Please log in to continue


যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী বহিষ্কারের সর্বগ্রাসী রূপ

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ চলাকালে অবৈধ অভিবাসীদের আটক ও ডিপোর্টেশনের সংখ্যা কিছুটা কমলেও তা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। যুদ্ধ শুরু হয়েছিল গত ফেব্রুয়ারির শেষদিকে। মাঝে কিছু সময়ে যুদ্ধের প্রচণ্ডতা কমলেও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা প্রায় নাকচ হওয়ার পর হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের অভিবাসনবিষয়ক প্রধান আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি’র (আইস) অবৈধ অভিবাসী আটক ও বহিষ্কার কার্যক্রম পুনরায় গতি সঞ্চার করেছে। বলা যায়, সর্বগ্রাসী রূপ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসীবিরোধী অভিযান।

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অভিবাসী আটক গত জানুয়ারির তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে। কেবল নিউইয়র্ক সিটিতেই গত সাড়ে তিন মাসে ‘আইস’ প্রায় ২৬ হাজার অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে। অথচ এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত এ সংখ্যা ছিল ৬ লাখের কম। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ডিটেনশন সেন্টারগুলোতে আটক রয়েছে ৬৫ হাজার ৭৭০ জন অভিবাসী। ধরপাকড়ের ব্যাপকতায় নিউইয়র্কের বাংলাদেশি অভিবাসীসহ সব অভিবাসী কমিউনিটির মধ্যে ভীতি ও অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ‘আইস’ গত দেড় বছরে ৮ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি অভিবাসীকে বহিষ্কার করেছে। ২০২৫ সালে ৪ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৩ জন এবং ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ৪ লাখ ৩ হাজার ২৯৪ জন বহিষ্কৃত হয়েছে। স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটি, সংবাদপত্র, বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন সূত্রের হিসাব অনুযায়ী, গত দেড় বছরে বহিষ্কৃত অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা ছিল তিনশ’র বেশি। নতুন অভিযানে কতজন বাংলাদেশি আটক হয়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে অভিবাসী অনুপ্রবেশ লক্ষণীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। কারণ ট্রাম্পযুগে যুক্তরাষ্ট্রের ‘কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশন’ এজেন্টরা অবৈধ অভিবাসীদের অনুপ্রবেশ করতে না দেওয়ার ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট বাইডেন যুগের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর আচরণ করছে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটির দাবি অনুযায়ী, ট্রাম্প হোয়াইট হাউজে প্রবেশ করার পর ২০২৫-এর জানুয়ারি থেকে ২০২৬-এর জুন পর্যন্ত বর্ডার প্রটেকশন এজেন্টরা মেক্সিকো সীমান্তে আটকে দিয়েছে প্রায় ৩০ লাখ বিদেশিকে। সৌভাগ্যবশত অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা অতি নগণ্য।

এছাড়া যেসব অবৈধ অভিবাসী স্বেচ্ছায় যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে তাদের নিজ নিজ দেশে ফিরে যাবেন, তাদের জন্য ট্রাম্প প্রশাসন বিমানভাড়া ছাড়াও নগদ ৩ হাজার ডলারের আর্থিক প্রণোদনা ঘোষণা করার পর গত দেড় বছরে সরকারি প্রণোদনা নিয়ে প্রায় এক লাখ অভিবাসী নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন বলে জানা গেছে। প্রশাসনের মতে, গ্রেফতার ও আটক রাখার চেয়ে প্রণোদনা দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো কম ব্যয়বহুল। ডিটেনশন সেন্টারে আটক রাখার মাথাপিছু বার্ষিক ব্যয় আনুমানিক ১৭ হাজার ডলার। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গ্রেফতার ও আটক থাকার ভয়ে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে গেছে আরও প্রায় ১০ লাখ অবৈধ অভিবাসী।

ট্রানজেকশনাল রেকর্ডস অ্যাকসেস ক্লিয়ারিং হাউজের হিসাবমতে, অভিবাসন আদালতগুলোতে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকা মামলার সংখ্যা গত বছরের জুনের ৩১ হাজার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে চলতি বছরের জুনে দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজারে। এ মামলাজট কবে খুলবে তা প্রশাসনও জানে না। মামলাগুলোর আওতায় থাকা একক ও পারিবারিক সদস্যসহ আবেদনকারী মোট অভিবাসীর সংখ্যা প্রায় ৩২ লাখ।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন